মোস্তফা ইমরান রাজু, কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া প্রতিনিধি: আয়না ঘরে আমি রিমান্ডে থাকা অবস্থায় এক যুবদল নেতাকে পেয়েছিলাম, সে বিএনপি করার কারণে একটি হাতাওয়ালা চেয়ারে বসিয়ে হাত পা বেঁধে মিনিটে ১২০ বার ঘুরিয়েছে। বিশেষ মেশিনের সাহায্যে আঙ্গুলের নখ তুলে লবণ ছিটিয়ে দিয়েছে। আর এসব আমার চোঁখের সামনেই ঘটেছে। সোমবার কুয়ালালামপুরের একটি হোটেলে বাংলাদেশ প্রবাসী মুসলিম কমিউনিটি মালয়েশিয়ার উদ্যোগে ইফতার মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে এসব কথা বলেন জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা।
কুষ্টিয়ার এই ইসলামিক আলোচক বলেন, তখন ঐ যুবদল নেতার সাথে আমিও আয়না ঘরে আটক ছিলাম। ঠুনকো একটা মামলা দিয়ে আমারে জামিন ছাড়া ৩ বছর আটকে রেখেছে। বিএনপি এখন মজলুম দল। তারেক রহমানের পিএস মিয়া নুরুদ্দিন অপু আমার সাথে ৩ বছর ছিল আয়না ঘরে। তারেক রহমানের পিএস গিয়াসউদ্দিন মামুনের সাথে আয়না ঘরে লুডু খেলতাম। ২৪ ঘন্টা সিসি ক্যামেরায় দিয়ে নজর রাখতো এবং তালাবদ্ধ করে রাখতো। যাতে আমাদের দুই জনের সাথে অন্য কেউ কথা বলতে না পারে। শুধু তারেক জিয়ার সাথে উনার পরিচয় ছিল আর আমার সাথে মামুনুল হক ছিল এজন্য আমার উপর এত কড়াকড়ি হয়েছে। এ দৃশ্যগুলো বলতেই আমার এখন ভয় লাগে অথচ আমার উপর ট্রেস হয়েছে আমি এগুলো পার করে এসেছি।
ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পিএইচডি গবেষক মিছবাহ উদ্দিন, প্রধান আকর্ষণ ছিলেন, নাগাইশ দরবারের শরীফের পীর হঃ মাঃ মোশতাক ফয়েজী। ২য় বক্তা ছিলেন হাফেজ মাওলানা মাহফুজুর রহমান, ৩য় বক্তা মাওলানা হোসাইন আহমাদ। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন মো. রমজান আলী। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রবাসী মুসলিম কমিউনিটির গোলাম কবির, আল ইমরান, মনির হোসেন পাটোয়ারী, কে এ সবুজ, আবুল বাসার, রফিকুল ইসলাম, আবু সাইদ, মফিজ উদ্দিন, মো. ইমন, আবু হানিফ, মো. রবিউল, জাহাঙ্গীর আলম ও মো. ওয়াসিম সহ আরও অনেকে।