অসীম বিকাশ বড়ুয়া, সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া প্রতিনিধি: দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব এবং বাংলাদেশ-কোরিয়া অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএ) সাধারণ সম্পাদক খাজা মামুন এর স্বদেশ প্রত্যাগমণ উপলক্ষে এক বিদায়ী সংবর্ধনা জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ-কোরিয়া অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএ) কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে ১০ অক্টোবর ২০২১, রবিবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় সিউলস্থ মোমেন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডিং কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়।
রাজশাহী শহরের শালবাগান এলাকার সন্তান খাজা মামুন দীর্ঘ দশ বছরের প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে কোরিয়া থেকে দেশে ফিরে আসছেন। কিছুদিন আগে মাতৃবিয়োগে এই কমিউনিটি নেতা খুবই ব্যথিত হয়েছিলেন। এই দীর্ঘ প্রবাস জীবনে তিনি বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও ইপিএস সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি তার থেকে অনেক উপকৃত হয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়াতে খাজা মামুন ভ্রমণ এবং হাইকিংয়ে রেকর্ডধারী একজন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ছিলেন। দক্ষিণ কোরিয়াতে ভ্রমণ এবং চাকরি সংক্রান্ত জনপ্রিয় গ্রুপ পরিচালনা করার মাধ্যমে প্রবাসীদের সঙ্গে তার গড়ে উঠেছিল এক নিবিড় সম্পর্ক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ‘বিকেএ’ এর বিদায়ী সেক্রেটারি খাজা মামুন। মানপত্র পাঠ করেন সহ-সভাপতি মোজাহিদুল আহমেদ নোমান। ‘বিকেএ’ এর প্রতিষ্ঠাকালীন প্রেসিডেন্ট ও বর্তমান চেয়ারম্যান, সিউল ফরেন রেসিডেন্টস কাউন্সিল এবং সিউল ইমিগ্রেশনের বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি জনাব এমএ মোমেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আজমিরী খাতুন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মিজান জাহিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাঈদ রেজা।
এসময় সভাপতি জনাব এমএ মোমেন বলেন, খাজা মামুন তুমি সমাজ ও দেশের কল্যাণে আরো এগিয়ে যাও। এরপর বিদায়ী অতিথি খাজা মামুন সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এ সম্মান আগামীর পথ চলার অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। এছাড়াও উপস্থিত বক্তারা খাজা মামুনের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রবাসেও দেশে সমাজ উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। দেশে গিয়েও আগামীতে যেন সকলের কল্যাণে কাজ করে যেতে পারেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-কোরিয়া অ্যাসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে খাজা মামুন’কে মানপত্র ও আকর্ষণীয় উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। পরে করোনাকালীন প্রতিরোধক ব্যবস্থা মেনে স্থানীয় রেস্টুরেন্টে ভোজন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়।