নীরব আহমেদ রুমন, এথেন্স, গ্রীস থেকে:
বৈশ্বিক এই করোনার ক্রান্তিলগ্নেও থেমে নেই মানুষের খুন, হাইজ্যাক ডাকাতির মতো ঘটনা। কয়েকদিন আগে এক পাকিস্তানি কতৃক ৮৩ বছর বয়স্কা নারী ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টার রেশ কাটতে না কাটতে আবারো কিছু পাকিস্তানির দ্বারা এক পাকিস্তানি বাঙালি কে কাজ দেওয়ার কথা বলে আখারনুন আইনিকোলস নামক এলাকায় এক বাড়িতে নিয়ে জিম্মি করে তার পরিবারের নিকট ১০ লাখ রুপি মুক্তিপণ দাবি করে এবং তাকে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে। পরবর্তীতে তার পরিবার ৫ লক্ষ টাকা পরিশোধও করে কিন্তু বাকি ৫ লক্ষ টাকার জন্য তাকে চরম ভাবে নির্যাতন শুরু করার পর ভিকটিম এর এক আত্মীয় আতিকি থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করেন। তারপর আতিকি থানার পুলিশ প্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ২৫ জুন, ২০২০ এক যৌথ অভিযানের মাধ্যমে ভিকটিম কে উদ্ধার করে এবং দুই কিডন্যাপারকেও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
কথিত আছে এথেন্স এ বাংলা ভাষাভাষী পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের নাম বলে অসংখ্য অবৈধ কাজের সাথে জড়িত। ওরা করে না এমন কোন কাজ নেই। তাদের অবৈধ কাজের জন্য পরিশ্রমী শান্তি প্রিয় বাংলাদেশীদের অনেক বদনাম হচ্ছে। এমনকি তাদের কারণে বিভিন্ন সময় অনেক বাঙালি হেনস্তার শিকার হচ্ছে। এমনিতেই গ্রীসে অভিবাসীদের চাপে সরকার অনেক বেকায়দায় আছে এবং বাংলাদেশি কমিউনিটি সহ সকল অভিবাসীরা বৈধকরণ নিয়ে আন্দোলন করে যাচ্ছে এমতাবস্থায় তাদের এহেন কার্যকলাপে এই দেশের সরকার এবং জনগণের নিকট একটার পর একটা ভুল ম্যাসেজ যাচ্ছে যার কারণে সামনের দিকে নিরীহ অভিবাসীদের বৈধকরণ হয়তো আরো কঠোর হয়ে যেতে পারে।