প্রবাস মেলা ডেস্ক: সম্প্রতি এক সন্ধ্যায় প্রবাস মেলা অফিসে বেড়াতে আসেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইঞ্জিনিয়ার তপন মাহমুদ জনি। তার সাথে প্রবাস মেলা’র মিডিয়াকর্মীরা চা-চক্রে অংশ নিয়ে তার প্রবাস জীবনের নানান গল্প শোনেন। এক ফাঁকে তার হাতে প্রবাস মেলা’র সৌজন্য কপি তুলে দেন পত্রিকাটির অনলাইন রিপোর্টার আশরাফুল আলম মাসুদ।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইঞ্জিনিয়ার তপন মাহমুদ জনি। তিনি ২০২০-তে জাপানে অনুষ্ঠেয় অলিম্পিকে প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠেয় জাপান গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের জন্য তাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য তাকে অলিম্পিক সম্প্রচার কমিটি বেছে নিয়েছিলো। ব্রাজিলের রিও অলিম্পিকের পর টোকিও অলিম্পিক ২০২০-তে অলিম্পিক সম্প্রচার সংস্থায় বাংলাদেশের পতাকা দেখা গেছে ব্রডকাস্ট ইঞ্জিনিয়ার তপন মাহামুদ জনি’র কল্যাণে।
এর আগেও ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিক গেমসকে মডার্ন পেন্টাথলন এবং রাগবি ৭ ইভেন্টটি কভার করতে সহায়তা করেছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রকৌশলী জনি। রিও অলিম্পিকে বিশ্বের বৃহত্তম ইভেন্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রচারকর্মী ছিলেন। কানাডা, রাশিয়া, জার্মান টেকনিক্যাল সহকর্মীদের সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের পতাকা বহন করেছিলেন। সেখানে তাদের মূল দায়িত্ব ছিল ১ বিলিয়ন মানুষকে দেখার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার জন্য ইভেন্ট ব্রডকাস্ট সুবিধাগুলি বজায় রাখা এবং পর্যবেক্ষণ করা। রিও অলিম্পিকের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তপন মাহমুদ জনি বলেন, ‘এটি জীবনের তাঁর অন্যতম বৃহত্তম স্মৃতি’।
বর্তমানে তিনি হলিউডের মুভি প্রোডাকশন কোম্পানী গোলক্রেস্ট পোস্ট প্রোডাকশনে মিডিয়া সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত আছেন। ২০২৪ সামার অলিম্পিকের প্যারিস ব্রডকাস্ট টিমের একজন সদস্য হিসেবেও বাংলাদেশের পতাকা হাতে দেখা যাবে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইঞ্জিনিয়ার তপন মাহমুদ জনিকে।