প্রবাস মেলা ডেস্ক: ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সামরিক শাখা কাসেম ব্রিগেড একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এতে এক ইসরাইলি নারী ও দুই শিশুকে মুক্ত করে দিতে দেখা যায়। বুধবার (১১ অক্টোবর) রাতে আল জাজিরায় প্রচারিত ফুটেজটি দূর থেকে শুট করা হয়েছে, যাতে অজ্ঞাতনামা নারী এবং পেছন থেকে শিশুদের দেখানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শনিবার (৭ অক্টোবর) ইসরাইলে হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর কোনো এক সময় তাদের আটক করা হয়েছিল। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অজ্ঞাত এক নারী ও দুই শিশুকে একটি বেড়ার পাশে রেখে আসেন এক ব্যক্তি। সম্ভবত তিনি হামাস যোদ্ধা।
জায়গাটি গাজা ও ইসরাইলের সীমান্ত বেড়ার বলে ধারণা করা হচ্ছে। দূরে আর পেছন থেকে ভিডিও করায় নারী ও শিশুদের মুখ দেখা যায়নি। ভিডিওটি কবে এবং কোথায় তোলা হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ ভিডিওটিকে ‘নাটক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক পোস্টে আইডিএফ’র আরবি-ভাষার মুখপাত্র আভিচায় আদ্রাই বলেন, সন্ত্রাসী ও জঘন্য গণহত্যায় শত শত নিরপরাধ শিশু ও নারীকে হত্যা করেছে হামাস। তারা মিডিয়ায় একটি প্রোপাগান্ডামূলক ভিডিও প্রকাশ করে সত্য পরিবর্তনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
হামাসকে আইএসআইএসের চেয়েও খারাপ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সত্য একেবারে পরিষ্কার। আগামী দিনে এটি আরও স্পষ্ট হবে। হামাস আইএসআইএসের চেয়েও খারাপ। তাদের বিরুদ্ধে আমরা আরও কঠোরভাবে হামলা চালিয়ে যাব।
এদিকে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হাতে জিম্মিদের মুক্ত করে আনতে নতুন শর্ত দিয়েছে ইসরাইল। জিম্মিদের মুক্তি না দিলে গাজায় বিদ্যুৎ, পানি এবং জ্বালানি সরবরাহ করা হবে না বলে জানিয়েছেন ইসরাইলের জ্বালানিমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) ইসরাইলের জ্বালানিমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তি না দেয়া পর্যন্ত গাজা সর্বাত্মক অবরোধ শেষ হবে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, জিম্মিদের মুক্তি না দেয়ার পর্যন্ত কোনো ‘বৈদ্যুতিক সুইচ চালু করা হবে না, কোনো পানির হাইড্র্যান্ট খোলা হবে না এবং কোনো জ্বালানির ট্রাক প্রবেশ করবে না।