প্রবাস মেলা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রবাস মেলা অফিসে অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান ড. মুহম্মদ রবিউল আলম ও মোহাম্মদ আব্দুল মালেক। ড. মুহম্মদ রবিউল আলম একজন বিশিষ্ট পাট বিজ্ঞানী ও সাবেক সরকারি কর্মকর্তা এবং মোহাম্মদ আব্দুল মালেক সাবেক সরকারি কর্মকর্তা। তারা প্রবাস মেলা’র কলা-কুশলীদের সাথে চা-চক্রে অংশ নিয়ে আড্ডায়-আলোচনায় তাদের পেশাগত জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন। আলোচনার এক ফাঁকে তাদের হাতে প্রবাস মেলা’র সৌজন্য কপি তুলে দেন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক শহীদ রাজু।
উল্লেখ্য, ড. মুহম্মদ রবিউল আলমের জন্ম কুষ্টিয়া জেলার খোকসা থানাধীন গোপগ্রামে। তিনি ১৯৭৩ সালে খোকসার নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শোমসপুর হাই স্কুল থেকে এসএসসি, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ থেকে ১৯৭৫ সালে এইচএসসি শেষ করেন। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮০ সালে এপলাইড কেমিস্ট্রিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এপলাইড কেমিস্ট্রি এ্যান্ড কেমিকেল টেকনোলোজি বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার অভিসন্দর্বের বিষয় ছিলো Studies on Green Jute Pulping Process. চাকরি জীবনে তিনি বিসিআইসির জেনারেল ম্যানেজার অপারেশন হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্বরত ছিলেন। ড. মুহম্মদ রবিউল আলম একজন প্যাটেন্টধারী বিজ্ঞানী যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তার স্বীকৃতিকে গেজেট আকারে প্রকাশ করেন। তার নিজস্ব আবিস্কারের সূত্র ‘RP=r A FL প্রয়োগ করে Green Jute Process করে পাটের বহুমুখী ব্যবহার করা যাবে বলে তিনি দাবী করেন।
অন্যদিকে মোহাম্মদ আব্দুল মালেকের জন্ম কুষ্টিয়া জেলার খোকসা থানাধীন গোপগ্রামে। তিনি ১৯৭৫ সালে খোকসার নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শোমসপুর হাই স্কুল থেকে এসএসসি, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ থেকে ১৯৭৭ সালে এইচএসসি শেষ করেন। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮১ সালে এপলাইড কেমিস্ট্রিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি লিমিটেড এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন।