প্রবাস মেলা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রবাস মেলা অফিসে অতিথি ছিলেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক লাকী মিয়া ও স্কটল্যান্ড প্রবাসী ব্যবসায়ী এনামুল হক চৌধুরী। এসময় তারা প্রবাস মেলা’র কলা-কুশলীদের সাথে চা-চক্রে অংশ নিয়ে আড্ডায়-আলোচনায় তাদের প্রবাস জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন। আলোচনার এক ফাঁকে তাদের হাতে প্রবাস মেলা’র সৌজন্য কপি তুলে দেন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক শহীদ রাজু।
উল্লেখ্য, লাকী মিয়ার জন্ম ৫০ এর দশকে বাংলাদেশের সিলেট জেলার বিশ্বনাথ থানার অন্তর্গত দশকর ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামে। তার পিতার নাম আরফান উল্লাহ, মাতার নাম থেরাবন বিবি। তারা ৪ ভাই ২ বোন। লাকী মিয়া ১৯৬৭ সালে তার বাবার সাথে লন্ডনে যান। প্রথমে তিনি বার্মিংহামে ২ বছর বসবাস করে পুনরায় লন্ডনে চলে আসেন এবং স্থায়ীভাবে সেখানেই বসবাস করছেন। লন্ডনে কিছুদিন পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পর তিনি কর্মে নিয়োজিত হন এবং লন্ডনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের সাথে সখ্য গড়ে তোলেন। সে সুবাদে কর্মজীবনের পাশাপাশি তিনি সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কাজে যুক্ত হয়ে পড়েন। একসময় তিনি নিউহাম ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট নামে একটি রেজিস্টার্ড চ্যারিটি অর্গানাইজেশন গড়ে তোলেন। এ সংগঠনের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বা নতুন গমণকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের নানাবিধ সমাজসেবামূলক কাজ করে যাচ্ছেন। এ সংগঠনটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে ব্যাপকভাবে পরিচিত। এছাড়া তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সিলেট জেলার প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে দশকর ইউনিয়ন সোসাইটি, বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, জান্নাত ফাউণ্ডেশন এর মতো জনকল্যাণমূলক সংগঠন গড়ে তোলেন। সমাজসেবামূলক কাজে তিনি শুধু লন্ডনেই নয়, বাংলাদেশেও তার পরিধি বিস্তৃত করেছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও দৈব-দূর্বিপাকে পড়া অসহায় মানুষদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করে আসছেন। তাছাড়া সিলেট সহ বিভিন্ন জেলায় মসজিদ, মাদ্রাসা নির্মাণের মতো মহতি কাজও করছেন তিনি।
অন্যদিকে স্কটল্যান্ড প্রবাসী এনামুল হক চৌধুরী একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি স্কটল্যান্ডের পোর্টসিটি এবাডিনে বসবাস করছেন। প্রবাসে থাকলেও দেশেও তিনি একজন প্রবাসী বিনিয়োগকারী হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করছেন।