শরীফ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, কুয়েত থেকে: দীর্ঘ দুই বছরের করোনার ধকল কাটিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়াতে চান কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। লোকসানের কারণে অনেককেই তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিক্রি করে দেশে ফিরতে হয়েছিল। যে সব ব্যবসায়ীরা লোকসান গুণে এখনও টিকে আছেন তাদের প্রত্যাশা আবারও তাদের ব্যবসায় সুদিন ফিরবে।
করোনা মহামারি প্রতিরোধে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো কুয়েতেও নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে দেশটির সরকার। তবে সম্প্রতি এক এক করে ধাপে ধাপে তুলে নেওয়া হয়েছে সকল প্রকার বিধিনিষেধ। বর্তমানে কুয়েতে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক। ফলে আবারও আগের মত কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে জনজীবনে। কর্মক্ষেত্রে যেমন, তেমনই ব্যবসা-বাণিজ্যও প্রাণ ফিরে পেয়েছে।
এতে করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। তাদের প্রত্যাশা শীঘ্রই লোকসান কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কুয়েতে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার বাংলাদেশি সুনামের সাথে গ্রোসারি শপ, রেস্টুরেন্ট, মোবাইল শপ, টেইলার্স, কার্গো ও অটোমোবাইল গ্যারেজের ব্যবসার সাথে জড়িত আছেন। এই সকল প্রতিষ্ঠানে নিজেরা যেমন প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন তেমনি স্বাবলম্বী করেছেন হাজার হাজার বাংলাদেশি শ্রমিককে। তাদের উপার্জিত অর্থে সচল হয়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ।
বর্তমানে তাদের এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে রয়েছে শ্রমিক সংকট। করোনাকালীন সময় অনেক শ্রমিকই দেশে গিয়ে আটকে পড়েন। ফলে অনেকেই ভিসা নবায়ন না করতে পেরে আর কুয়েত ফিরতে পারেননি। বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে কূটনৈতিকভাবে শ্রমিক সংকটের আশু সমাধানের জোর দাবি জানান প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যাবসায়ীরা।