সোনালী গাঙ্গুলী, কোলকাতা, ভারত:
আমি বিলাসিতার অন্তরালে হেরে গেছি,
সেই বহুকাল আগেই।
যা দেখছো… তা
কল্পনার অবয়ব।
আমি নিজস্বতার আড়ালে থেমে গেছি,
সেই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের শুভ জন্মলগ্নে,
যা দেখছো সবই মায়া।
আমি নিষ্ঠুর চেতনার সুপ্ত আগ্নেয়গিরি,
রয়েছি আজও কোন মরুখাতে।
কিংবা হয়তো রয়েছি কোনও সলিল সমাধিতে।
বহু বছর আগেই ঢেকেছে আমার জীবাশ্ময়
সমুদ্রের চাদরে।
আমি সময়ের বল্গা হরিণ
বুঝিনি পেড়িয়ে গেছি হাতে না গোনা-
কয়েক হাজার বছর দিন,
কিংবা মূর্তি হয়ে আজও কোনো এরিজোনার
গভীর অন্ধকার জঙ্গলে।
আমি কি? আমি কে?
সময় না ইতিহাস? না প্রাচীন ঐতিহ্যের কান্ডারী??
না, বয়ে চলা দীর্ঘ অবকাশ??
স্তব্ধতার ভারে বুঝি
থমকে থাকে পালের হাওয়া
শব্দের এক দমবন্ধ হীনতায়,
নড়তে চায়না চেতনার প্রতিবাদ!
আজ বুঝি কাটলো সে স্তব্ধতা
লাগলো পালে হাওয়া,
নির্মম ঝড়ে মরুভূমি হতে উত্তাল
প্রতিটি বালুকণা কেঁদে ওঠে
এক অর্বাচীন চপলতার প্রতিবাদে।