প্রবাস মেলা ডেস্ক: করোনার সম্ভাব্য অতিসংক্রামক ধরন ওমিক্রন ভারতেও শনাক্ত হয়েছে। মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে পর্যুদস্ত দেশটির কর্ণাটক রাজ্যের দুই বাসিন্দা প্রথম আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে একজন পুরুষ ও এক নারী রয়েছেন। তাদের বয়স যথাক্রমে ৬৬ এবং ৪৬ বলে জানা গেছে। কীভাবে তাদের শরীরে ভাইরাসটি এসেছে তার অনুসন্ধান চলছে।
ভারতে ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছে বাংলাদেশ। পার্শ্ববর্তী দেশ হওয়ায় ভয়ংকর এই ভাইরাসটি বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব ল্যাব আগারওয়াল বলেন, এ পর্যন্ত যাদের শরীরে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে, তাদের মধ্যে কোনো মারাত্মক উপসর্গ দেখা যায়নি। বরং তাদের মৃদু উপসর্গ দেখা গেছে।
এদিকে ঔষধ কোম্পানি গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন বলছে, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের বিরুদ্ধে তাদের অ্যান্টিবডি চিকিৎসা কাজ করছে।
এমন এক সময় এই ঘোষণা এসেছে, যখন সটরোভিম্যাব একক ক্লোনের অ্যান্টিবডি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ব্রিটিশ ঔষধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা দ্য মেডিসিন অ্যান্ড হেলথকেয়ার প্রডাক্ট রেগুলেটরি অ্যাজেন্সি।
জিভুডি ব্রান্ড নামের অধীন বিক্রি হওয়া এই ঔষধ জিএসকে ও দ্য নাসডাক-তালিকাভুক্ত ভির বায়োটেকনোলজি উৎপাদন করেছে। ইতিমধ্যে এক লাখ ডোজ কিনতে রাজি হয়েছে ব্রিটিশ সরকার।
এমএইচআরএ বলছে, এক ডোজের একক ক্লোনের অ্যান্টিবডির রোগীভিত্তিক পরীক্ষায় করোনায় আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা কমতে দেখা গেছে। এছাড়া উপসর্গভিত্তিক কোভিড-১৯ সংক্রমণের উচ্চ-ঝুঁকির প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের মৃত্যু ৭৯ শতাংশ কমেছে।
২ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন জানিয়েছে, অ্যান্টিবডিভিত্তিক কোভিড-১৯ চিকিৎসায় পরীক্ষাগারের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নতুন ধরন ওমিক্রনের বিরুদ্ধে এই ঔষধ কার্যকর।
এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ কোম্পানিটি বলছে, হ্যামস্টারের ওপর গবেষণা ও ল্যাবরেটরির পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে সটরোভিম্যাব অ্যান্টিবডি ককটেল সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এতে ওমিক্রনের ধরনের বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তনের ওপর বায়ো-ইঞ্জিনিয়ারিং কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে।