মাহ্জাবীন মিতি:
তোমায় এক পলক দেখবো বলে
কুয়াশার শিশির বিন্দু হয়ে
জমেছিলাম ঘাসের ডগার উপর…
তুমি পায়ে পায়ে ছুঁয়ে যাবে বলে
চোঁরকাটায় নিজেকে করেছিলাম রূপান্তর।
তোমার শরীর স্পর্শ করবো বলে
মেঘের দেশ থেকে, বৃষ্টি হয়ে ঝড়েছিলাম..
তোমার চিবুকের ঘাম ছোঁব বলে
কাঠ-ফাটা তপ্ত রোদ হতেও দ্বিধা করিনি
তোমার চোখে নিজেকে রাঙাতে
রামধনু হয়েছিলাম, পুব আকাশে
তোমার ঘামের বুনো গন্ধ পেতে
বাতাসের তান্ডব হয়েছি বহুবার…
তোমার সমস্ত শরীরে লেপ্টে রবো বলে
ঘন গহিন অরণ্য হয়ে পেচিয়ে ধরেছি তোমায়,
কত অজুত-লক্ষ বছর ধরে
শেকড়-বাকরগুলো শক্ত করে আষ্টেপৃষ্ঠে
বিস্তার করেছে তোমার শিরা-উপশিরায়
লোহিত রক্ত কণিকা হয়ে বয়ে চলেছি
তোমার হৃৎপিন্ড থেকে ধমনিতে
এতো কিছুর পরেও, প্রশ্ন কিন্তু রয়েই যায়..
তোমায় কী আদৌ পেরেছি, নিজের করে পেতে???
তাহলে কেন এই প্রবঞ্চনা নিজের সাথেই নিজের..!!
আমি না হয়, সন্যাসী হয়েই ছয় জনম তোমার ধ্যানে মগ্ন থাকবো…
কিন্তু শেষ জনমটা তুমি আমার হয়েই ফিরে এসো..
শুধুই আমার বেঁচে থাকার কারণ হয়ে..