প্রবাস মেলা ডেস্ক: প্রথমবারের মতো সংযুক্ত আরব আমিরাতে রাষ্ট্রীয় সফর করছেন ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজাক হারজোগ। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমিরাতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। এ হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ৩১ জানুয়ারি ২০২২, সোমবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করা হয়েছে বলে দাবি আমিরাতের। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, জোট বাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলো ইয়েমেনে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপকগুলোকে ধ্বংস করেছে।
আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, রোববার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিহত করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ জনবসতিহীন একটি এলাকায় পড়েছে।
এক টুইট বার্তায় আমিরাতের কর্মকর্তা আনোয়ার গারগাশ জানান, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাটি ‘অর্থহীন উস্কানি’ যা আমিরাতের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। এসবকে মোকাবেলা করা হবে। যারা আরব আমিরাতকে পরীক্ষা করার চেষ্টা করছে তারা ভুল করছে।
এদিকে এ সফরে আরব আমিরাতের যুবরাজ শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে দুই দেশের নিরাপত্তা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন হারজোগ। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এ নিয়ে গত দুই সপ্তাহে তৃতীয়বারের মতো দেশটিতে হামলা চালালো হুতিরা। এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি আমিরাতের রাজধানী আবু ধাবিতে হামলায় চালিয়েছিলো হুতিরা। ওই হামলায় তিন জনের মৃত্যু হয়।
ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুতিদের সঙ্গে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর দ্বন্দ্ব আরও সহিংস হয়ে উঠছে। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর অন্যতম সদস্য হওয়ায় হুতিরা আমিরাতেও হামলা অব্যাহত রেখেছে।