সফিউল সাফি, কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক: সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার, বাঙালির আশা-আকাংখার বিশ্বস্ত ঠিকানা, বাঙালির বিশ্বজয়ের স্বপ্ন-সারথী, বাঙালি জাতির গর্ব ও প্রতিটি কর্মির আস্থা , গণতন্ত্রের মানসকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা জন্মদিন উদযাপন করেছেন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দরা।
ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা মজুমদার বাচ্চুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । সভায় বক্তব্য রাখেন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা বাবু সুভাষ ঘোষ, মাহবুবুল হক, রিয়াজুল হাসনাত রুবেল, সহ-সভাপতি খোকন মজুমদার, জাহিদ বাবু, নাসির উদ্দিন সরকার, মোহাম্মাদ ইসমাইল, যুগ্ম সাধারণ সস্পাদক নাঈম বাবু, নূরুল ইসলাম টিটু , সফিউল সাফি, বেলাল হোসেন রুমী, সাংগঠনিক সস্পাদক সরদার সাইদুর রহমান, শামীম কোরাইশী শামীমসহ ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা মজুমদার বাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে কোরআন থেকে তেলোয়াত মাধ্যমে শুরু করে জননেত্রী শেখ হাসিনা সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ুর জন্য মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করা হয়। জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি’র ৭২তম জন্মদিনের কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শরিফুল ইসলাম, হিমী খান, মোহাম্মাদ মামুন, তারিকুল ইসলাম, শিপন মিয়া, জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মাদ সোহাগ, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ মোসাদ্দিকুর রহমান রাসেল, রাজু আহম্মদ, মোহাম্মদ আশরাফ ফরাদ, মশিউর রহমান শাওন , রনি, ওমর,আমির জীবন , ফজলে রাব্বি , সামসুল আলম, সোহেল আহমেদ, সাফায়েত অন্তর, শামীম খান ,তাসবির হোসেন,মাঞ্জুর আহমেদ মামুন, মনসর আহমেদ, মোহাম্মাদ ইউসুফ, মাসুম বিল্লাহ, শাওন রহমান , সাইদুর রহমান, নাজমুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, হাসান শাহীন, তুহীন, আরিফুল হক আরিফ, আজাদুর রহমান, রাজ্জাক, নাজমুল হোসেন, দোলন, সহ সকল নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে আরো সম্মতি জানান বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ডেনমার্ক শাখা, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ডেনমার্ক শাখা ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ডেনমার্ক শাখার সকল নেতৃবৃন্দ।
আলোচনায় বক্তারা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব, যোগ্যতা, নিষ্ঠা, মেধা-মনন, দক্ষতা, সৃজনশীলতা, উদারমুক্ত গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কল্যাণে এক সময় দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত যে বাংলাদেশ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করতো সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলছে। বিশ্বসভায় আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ।
সহজ সারল্যে ভরা তাঁর ব্যক্তিগত জীবন। মেধা-মনন, কঠোর পরিশ্রম, সাহস, ধৈর্য্য, দেশপ্রেম ও ত্যাগের আদর্শে গড়ে উঠেছে তাঁর আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব। পোশাকে-আশাকে, জীবন-যাত্রায় কোথাও কোন প্রকার বিলাসিতা বা কৃত্রিমতার কোনো ছাপ নেই। নিষ্ঠাবান ধার্মিক তিনি। নিয়মিত ফজরের নামাজ ও কোরান তেলওয়াতের মাধ্যমে তাঁর দিনের সূচনা ঘটে। পবিত্র হজব্রত পালন করেছেন কয়েকবার।
একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর অবদান আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ইতোমধ্যে তিনি শান্তি, গণতন্ত্র, স্বাস্থ্য ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার, দারিদ্র্য বিমোচন, উন্নয়ন এবং দেশে দেশে জাতিতে জাতিতে সৌভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য ভূষিত হয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ অসংখ্য পদক, পুরস্কার আর স্বীকৃতিতে।মিয়ানমার সরকারের ভয়াবহ নির্যাতনে আশ্রয়হীন ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে তাদের অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করে ‘‘বিশ্ব মানবতার বিবেক’’ হিসেবে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। জাতিসংঘের চলতি অধিবেশনে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ তাঁর এই মানবিক দৃষ্টান্তের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। নিখাদ দেশপ্রেম, দূরদর্শিতা, দৃঢ়চেতা মানসিকতা ও মানবিক গুণাবলি তাঁকে আসীন করেছে বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি করা হয়।