প্রবাস মেলা ডেস্ক: ৪ নভেম্বর ২০২৩, শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক বাঘা কল্যাণ ট্রাস্ট এর উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক বাঘার ২য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এস এম সি’র গভর্নিং বডির সদস্য আলী রেজা খান। স্মরণ সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক পরিষদের চেয়ারম্যান (মেজর) নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, নারী মুক্তিযোদ্ধা মাজেদা শওকত আলী, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের চেয়ারম্যান, এস এম সাহজাহান অ্যাডভোকেট, অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ সাইমন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. খালেদ শওকতসহ আরও অনেকে।
উল্লেখ্য, আব্দুল মালেক বাঘা মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা ট্যাকটিকস এবং হিট অ্যান্ড রান অপারেশনের কৌশলে অসাধারণ বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় দেশমাতা এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ‘বীর প্রতীক’ খেতাব দেন। অনেক দুর্ধর্ষ সাহসী অপারেশনে অংশগ্রহণ করেন এই বীর সন্তান। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হচ্ছে পাক হানাদার বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ ঢাকার অদূরে ৩,নভেম্বর ১৯৭১ সালে সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন উড়িয়ে দেয় আব্দুল মালেক বাঘাসহ গেরিলারা। এ ছাড়াও তার অনেকগুলি সফল অপারেশনের মধ্যে ওলান-টঙ্গী পাওয়ার লাইন, কাপ্তাই-সিলেট, কমলাপুর-পোস্তগোলা লাইন, নরসিংদী পাওয়ার লাইন, মুরাপারা-ধামগড় পাওয়ার লাইন, ঢাকেশ্বরী পাওয়ার লাইন, আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল লাইন উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও তিনি সম্মুখ যুদ্ধে অনেক পাক সেনা ও তাদের দোসরদের হত্যা করেন।
পেশাগত জীবনে আব্দুল মালেক বাঘা ডেসার ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। সততা নিষ্ঠা এবং দেশপ্রেমে তিনি ছিলেন অটল। ব্যক্তি জীবনে তিনি এক ছেলে ও পাঁচ কন্যার বাবা। চাকরি থেকে অবসর নিয়ে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে যোগদান করেন। আব্দুল মালেক বাঘা মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী দেশ উন্নয়নে কাজ করেছেন। তিনি শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তিনি আমৃত্যু আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন।