প্রবাস মেলা ডেস্ক: ইতালির পর এবার অভিবাসন প্রত্যাশীদের ঢল ঠেকাতে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে জার্মানি। প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে বার্লিন সীমান্তে আরও কড়াকড়ি আরোপের কথা জানিয়েছেন দেশটির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ।
শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ডয়চেল্যান্ডে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ। পাশাপাশি দেশের অঞ্চলগুলোকে শরণার্থী মোকাবিলায় সহায়তা করারও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এমনকি পোল্যান্ড ও চেক প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি চালু করা হয়েছে বলেও জানান শলৎজ।
জার্মানিতে অভিবাসন নীতি নিয়ে অসন্তোষ বেড়েই চলেছে। সম্প্রতি ঘুষ নিয়ে ভিসা দেয়ার অভিযোগ ওঠে পোল্যান্ডের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। যদিও এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কিন্তু পোল্যান্ডের দেয়া এ ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এরপরপরই এমন ঘোষণা দেন ওলাফ শলৎজ।
তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে জার্মানিতে আসতে চাওয়া শরণার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। ৭০ শতাংশেরও বেশি শরণার্থীর আগে কোনো নিবন্ধন হয়নি। তারা প্রায় সবাই ইইউয়ের অন্যান্য দেশে ছিল।
নভেম্বর মাসে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে চ্যান্সেলরের। তখন ফ্লেক্সিবল ক্যাপ নিয়ে আলোচনা করে শরণার্থীদের আশ্রয়-সংখ্যার ভিত্তিতে অঞ্চলগুলোকে অর্থায়নের প্রস্তাব দেবেন বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি, শরণার্থীদের কাছে সহজে জার্মানি আসার ভিসা যেন বিক্রি করা না হয় সে বিষয় পোল্যান্ডের কাছে নিশ্চয়তা চেয়েছেন শলৎজ।
শুধুমাত্র চলতি বছরেই জার্মানিতে শরণার্থীদের আশ্রয়ের আবেদন প্রায় বেড়েছে ৮০ শতাংশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হচ্ছে শলৎজ প্রশাসন।