প্রবাস মেলা ডেস্ক: স্পেনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে বেশি ভোট ও আসন পেল বিরোধীদল রক্ষণশীল পপুলার পার্টি। ৩৫০ সদস্যের নিম্নকক্ষে অ্যালবার্টো ন্যুনেজ ফেইজু’র ডানপন্থী পপুলার পার্টি-পিপি পেয়েছে ১৩৬টি আসন আর প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সাঞ্চেজের সোশ্যালিস্ট ওয়ার্কার্স পার্টি- পি এস ও ই পেয়েছে ১২২টি আসন। তবে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য আসন প্রয়োজন ১৭৬টি। ২৩ জুলাই ২০২৩, রবিবার স্থানীয় সময় রাত পৌনে ১২টায় ভোট গণনা শেষে হয়। গণনা শেষে দেখা যায়, পিপি ভোট পেয়েছে ৩৩ দশমিক এক শতাংশ। প্রধানমন্ত্রী পেদ্রোর পি এস ও ই পেয়েছে ৩১ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এ অবস্থায় যারা ক্ষমতায় আসবে, তাদের জোট করতে হবে ছোট দলের সাথে। তবে, প্রধানমন্ত্রী স্যাঞ্চেজ এবং পিপি-র নেতা দুজনেই জয় দাবি করেছেন।
এর আগে ২০১৫ সালের নির্বাচনের পরও পিপলস পার্টির তৎকালীন নেতা মারিয়ানো রাহইকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন রাজা। কিন্তু প্রয়োজনীয় সমর্থন নেই জানিয়ে তিনি রাজার আহ্বানে সাড়া দেননি। জানা গেছে, আগামী ১৭ আগস্ট স্পেনের পার্লামেন্টের নতুন অধিবেশন আহ্বান করার পর দুই পক্ষ সরকার গঠন নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে পিপলস পার্টির প্রধান আলবের্তো নুনিয়েস ফেইহোকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণে আমন্ত্রণ জানাবেন রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ। যদি নুনিয়েস প্রধানমন্ত্রী হতে প্রয়োজনীয় সমর্থন পেতে ব্যর্থ হন তাহলে সানচেজকে আমন্ত্রণ জানাবেন রাজা। কিন্তু দুই প্রার্থীর কেউই যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ পার্লামেন্ট সদস্যের সমর্থন না পান, তাহলে প্রথম নির্বাচনের দুই মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন করতে হবে।
ধারণা করা হচ্ছে, উগ্র ডানপন্থী ভক্সকে নিয়ে সরকার গঠনের চেষ্টা চালাতে পারে রক্ষণশীল পিপলস পার্টি। অন্যদিকে সুমার ও অন্যান্য আঞ্চলিক দলের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করবে ক্ষমতাসীন সোশ্যালিস্ট পার্টি। তবে সরকার গঠনের এ প্রচেষ্টার সফলতা নিয়ে সন্দিহান বিশ্লেষকরা।