মোস্তফা ইমরান রাজু, মালয়েশিয়া থেকে: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে ৫১তম স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়েছে। ২৬ মার্চ ২০২২, শনিবার কুয়ালামাপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনে দিবসটি পালন করা হয়।
স্থানীয় সময় সকাল ১০ টায় অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন হাইকমিশনার। এরপর হাইকমিশনারের সভাপতিত্বে দূতাবাসের হলরুমে স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় কাউন্সিলর (রাজনৈতিক) রুহুল আমিনের পরিচালনায় পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত, শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন ও শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
আলোচনা সভায় রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা কমোডর মোস্তাক আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) মো. রাজিবুল আহসান, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন প্রথম সচিব (শ্রম) এসএম জাহিদুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) রেহেনা পারভীন।
বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ও ৭১-এ বাংলাদেশের প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন শেষে হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার তার বক্তব্যে বলেন, জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণার পর শুরু হয় সর্বাত্মক মুক্তিযুদ্ধ। নয়মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় মহান বিজয়। প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ, স্বাধীনতার স্বাদ পায় বাংলার মানুষ।
প্রবাসীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাধ্যমেই অর্জিত হতে পারে মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে।

গোলাম সারোয়ার বলেন, বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরে কূটনৈতিক সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। এ সম্পর্ককে আরও উন্নত করতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
আলোচনা সভায় ডেপুটি হাইকমিশনার খোরশেদ এ খাস্তগীর, মিনিস্টার (শ্রম) নাজমুস সাদাত সেলিম, কাউন্সিলর কন্স্যুলার জি এম রাসেল রানাসহ দূতাবাসের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়া সরকারের দেওয়া বিধিনিষেধ মেনে অনুষ্ঠানে দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীর পাশাপাশি, প্রবাসী সাংবাদিকবৃন্দ এবং মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া দূতাবাসের ফেসবুক পেজে সরাসরি প্রচার করে প্রবাসীদের অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।