প্রবাস মেলা ডেস্ক: মোশাররফ করিমসহ চারজন অভিনেতা ও বৈশাখী টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), কুমিল্লা।
কুমিল্লার আদালতে ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন রফিকুল ইসলাম হুসাইনি নামে এক আইনজীবী। ১১ আগস্ট ২০২১, বুধবার দুপুরে পিবিআই, কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো: মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, ‘হাই প্রেসার-২’ নামের একটি নাটকে আইনজীবীদের হেয়প্রতিপন্ন করে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করার অভিযোগে গত ১৮ জুলাই ২০২১ কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নম্বর আমলি আদালতে মানহানির মামলাটি দায়ের করেন কুমিল্লা জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য অ্যাডভোকেট মো: রফিকুল ইসলাম হোসাইনী।
মামলায় অভিনেতা মোশাররফ করিম, জামিল হোসেন, ফারুক আহমেদ, আদিবাসী মিজান ও বৈশাখী টেলিভিশন কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করা হয়েছে।
এদিকে ওইদিন শুনানি শেষে আদালত মামলাটি আমলে নেন। পরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চন্দন কান্তি নাথ মামলাটি তদন্ত সাপেক্ষে আগামী ১৮ আগস্ট ২০২১ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআই, কুমিল্লাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
১১ আগস্ট ২০২১, বুধবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই, কুমিল্লার পুলিশ পরিদর্শক মো: মতিউর রহমান বলেন, গত ৯ আগস্ট ২০২১ মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয়েছে আমাকে। আমাদের পুলিশ সুপার মো: মিজানুর রহমান স্যারের নির্দেশনায় ইতোমধ্যে মামলার তদন্ত শুরু করেছি। তদন্ত শেষে আদালতের নির্দেশনামতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
মামলার বাদী মো: রফিকুল ইসলাম হোসাইনী জানান, গত ৯ জুলাই ২০২১ সকালে নাটকটি তার নজরে আসে। নাটকের কিছু সংলাপ খুবই আপত্তিকর ছিল। এছাড়া নাটকের দুইটি অংশে ৩৫-৫০ মিনিট এবং ১ ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা ২২ মিনিটের দৃশ্য আপত্তিকর ছিল। নাটকটিতে আইনজীবীদের হেয়প্রতিপন্ন করে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কুমিল্লার আইনজীবীদের পরামর্শক্রমে মামলা দায়ের করেছেন তিনি।

তবে বিচারক চন্দন কান্তি নাথ পিবিআইকে মামলার তদন্ত করার আদেশ দেওয়ায় বাদী রফিকুল ইসলাম হোসাইনি বিষয়টিকে মেনে নিতে পারছেন না। হোসাইনি বলেন, মামলাটি ডকুমেন্টারিসহ করা হয়েছিল। এক্ষেত্রে বিচারক আসামিকে সমনজারি করতে পারতেন। তা না করে বিচারক মামলার বিষয়ে তদন্ত দিয়েছেন। এখন আমরা এই আদেশের বিরুদ্ধে জেলা ও দায়রা জজের বরাবর পিটিশন দাখিল করব।