উমর ফারুক হিমেল, সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া: আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে কয়েকটি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশি ইপিএস কর্মী এবং পাঁচজন কোরিয়ান নিয়োগকর্তাকে ২২ ডিসেম্বর সিউল দূতাবাস সম্মাননা প্রদান করে। সিউলে কেইবি হানা ব্যাংকের অডিটোরিয়াম হলে অনুষ্ঠানটি আজ কোরিয়ার স্থানীয় সময় বিকাল ৩.৩০ থেকে শুরু হয়, অনুষ্ঠান শেষ হয় বিকাল ৬ ঘটিকায়।
সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকবৃন্দ, এইচ.আর.ডি কোরিয়া, কমওয়েলথ -এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন দূতাবাসের লেবার অ্যাটাশে, বাংলাদেশি ইপিএসকর্মী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিসহ প্রায় কয়েক শতাধিক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।
বর্ণিল এ আয়োজনে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার দ্বিতীয় পর্বটি অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ ও কোরিয়ার জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের এ অনুষ্ঠানের শুভসূচনা করা হয়। একই অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মমহাসচিবের বাণী পাঠ করা হয়।অন্যান্যদের মধ্য হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট অব কোরিয়া,কেবিজ, ককমওয়েলের প্রতিনিধিবৃন্দ শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম তার বক্তব্য, সম্মাননাপ্রাপ্ত বাংলাদেশি ইপিএস কর্মীও নিয়োগদাতা কোরিয়ান মালিকদের অভিনন্দন জানান এবং বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজে তাদের সংশ্লিষ্টতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রবাসী কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি ইপিএসকর্মীদের কর্মনিষ্ঠা, আনুগত্য এবং তাদের সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডের প্রশংসা করেন।
উল্লেখ্য, সর্বোচ্চসংখ্যক বাংলাদেশি ইপিএসকর্মী নিয়োগের জন্য পাঁচজন কোরিয়ান নিয়োগকর্তাকে সম্মাননা প্রদান করে সিউল দূতাবাস। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশি ইপিএসকর্মীকে সম্মাননা দেয়া হয়।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে বাংলাদেশ থেকে আগত সৃষ্টি কালচারাল একাডেমীর মামুন ও তার দলের মুকাভিনয় নান্দনিক উপস্থাপনা সবাইকে মুগ্ধ করে। পরে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে ইপিএস তথ্য সহায়িকা পুস্তিকার মোড়ক উম্মোচন করা হয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস প্রতি বছর ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সব সদস্যভুক্ত দেশে পালিত হয়ে আসছে।