নিরব আহমেদ রুমন, এথেন্স, গ্রীস: প্রবাসবন্ধু মো: জসীম উদ্দিন, এনডিসি, বলেছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক বড় শক্তি হচ্ছে মানুষের প্রতি ভালোবাসা। তার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে, আমাদের উচিত ভালো কথার সাথে ভালো কাজের সম্পৃক্ততা সৃষ্টি করা। গ্রীসে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের অনেক কিছু শেখার সুযোগ রয়েছে যেমন ইতিহাস, সংস্কৃতি, দর্শন, রাজনীতি তেমনি না কে হ্যাঁ দিয়ে পরিণত করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। সোমবার বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন তিনি। দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির মধ্যে রয়েছিল পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত,দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত, নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের মধ্যে ছিল বিজয় ফুল প্রতিযোগিতা এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান ও আলোচনা সভা।
বাংলাদেশ দূতাবাস বিজয় দিবসটি একটি ঐতিহাসিকভাবে পালন করেছে বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। ইতিপূর্বে বাংলাদেশ দূতাবাসের জাতীয় কোন প্রোগ্রামে এত বেশি উপস্থিতি লক্ষণীয় ছিলনা বলে মন্তব্য করে বলেন আজ হলরুম এবং দ্বিতীয় তলা দূতাবাস প্রাঙ্গণ ভরপুর হয়ে মানুষের ঢল যেন রাস্তায় নেমে এসেছে। বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রীস এর সাবেক সভাপতি গোলাম মাওলা বলেন, মান্যবর রাষ্ট্রদূত তার কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে জাতীয়ভাবে পুরস্কৃত হয়েছেন। আমরা তার সম্বন্ধে আর কি বলব, গ্রীস প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাকে প্রবাস বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করেছে এবং স্বীকৃতি প্রদান করেছে। এটি তাঁর প্রতি আমাদের ভালবাসা।
১৮ জন বক্তা বক্তব্য প্রদান করেন কিন্তু কেউ মিডিয়া সাংবাদিকদেরকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন না করলেও গ্রীস আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল-আমিন শেখ উপস্থিত সাংবাদিকদেরকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলে উপস্থিত সুধী জনতার প্রশংসা করেন এবং তাকে হাততালি দিয়ে ধন্যবাদ জানান। দূতাবাসের প্রথম সচিব লেখক সুজন দেবনাথ এর পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের কাউন্সিলর মোহাম্মদ খালেদ, কাউন্সিলর ডক্টর সৈয়দা ফরহানা নুর চৌধুরী, গ্রীস আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোশাররফ হোসেন লিয়াকত, সাধারণ সম্পাদক বাবুল হাওলাদার।
আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিলো।