ওয়াসীম আকরাম, বৈরুত, লেবানন প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল লেবানন শাখার উদ্যোগে যুবদলের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের অনুষ্ঠানে প্রতি পক্ষের হামলায় অনুষ্ঠান পন্ড হয়ে যায়। পরে কেক না কেটেই অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘোষণা করে সবাইকে চলে যেতে বলেন লেবানন যুবদলের সভাপতি গাজি মো. রফিক। এই ঘটনার তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন লেবানন কেন্দ্রীয় বিএনপি ও লেবানন যুবদলের নেতৃবৃন্দ।
রবিবার ২৭ অক্টোবর বিকালে রাজধানী বৈরুতের সাবরা এলাকায় বাংলাদেশী একটি হোটেলে বাংলাদেশ যুবদলের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের অনুষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানের শেষ প্রান্তে বক্তব্য দিতে লেবানন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদারের নাম ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের সঞ্চালক। তার নাম ঘোষণার সাথে সাথে লেবানন বিএনপি’র উপদেষ্টা সদস্য মফিজুল ইসলাম বাবু ওরফে বাবুলের নেতৃত্বে একটি দল স্লোগান তুলে অবাঞ্চিত সভাপতি মানিনা, মানবোনা। সাথে সাথে তারা মারমুখী হয়ে উঠে। পরে অনুষ্ঠানের উপস্থিত নেতৃবৃন্দের প্রতিবাদের মুখে প্রধান উপদেষ্টা ও তার সংঙ্গীরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। তখন অনুষ্ঠানে থম থম পরিবেশ বিরাজ করে।

অনুষ্ঠান শেষ না করেই অনুষ্ঠান বন্ধ ঘোঘণা দিয়ে সকল নেতাকর্মীকে অনুষ্ঠান স্থল ত্যাগ করতে বলেন যুবদলের সভাপতি গাজি মো. রফিক। এরপর তিনি নিজেও চলে যান। অন্যদিকে লেবানন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুল হকও অন্যান্য নেতাকর্মীদের নিয়ে চলে যান।
এসময় নেতৃবৃন্দ লেবানন বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা মফিজুল ইসলাম বাবুর কঠোর সমালোচনা করেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপির একজন নেতা হয়ে কিভাবে দলের অঙ্গ সংগঠন যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে হামলা চালাতে পরে। একজন জিয়ার আদর্শের সৈনিক কখনো এমন নেককার জনক কাজ করতে পারেনা। নেতৃবৃন্দ প্রধান উপদেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা আওয়ামী লীগের মদদে বিএনপির দু একটা বিপথগামী সদস্য নিয়ে ও বহিরাগত কিছু লোক নিয়ে এই হামলা চালান। বহিরাগতদের মধ্যে আওয়ামী লীগের কর্মীও ছিল বলে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন।