প্রবাস মেলা ডেস্ক: জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য লেখক ও বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমরসহ আট বিশিষ্টজনকে ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে সরকার। তবে এক বিবৃতিতে বদরুদ্দীন উমর জানিয়েছেন, তিনি এই পুরস্কার গ্রহণ করবেন না।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাতে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সম্পাদক ফয়জুল হাকিমের মাধ্যমে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি বদরুদ্দীন উমর বলেন, ১৯৭৩ সাল থেকে আমাকে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে পুরস্কার দেয়া হয়েছে। আমি সেগুলোর কোনোটি গ্রহণ করিনি। এখন বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা করেছে। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ। কিন্তু তাদের দেয়া এই পুরস্কারও গ্রহণ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আটজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। তারা হলেন- লেখক ও বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমর, মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী (মরণোত্তর), বিজ্ঞানী অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর), কবি আল মাহমুদ (মরণোত্তর), কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অন্যতম নকশাকার নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর), পপসম্রাট আজম খান (মরণোত্তর) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।
সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পাঁচ লাখ টাকা, স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেয়া হয়।