হাকিকুল ইসলাম খোকন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি: ২৮ জুলাই রবিবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন আনন্দঘন পরিবেশে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় লং আইল্যান্ড সিটির হেকশেয়ার স্টেট পার্কের সবুজ চত্বরে আয়োজন করেছিলো “বনভোজন ২০১৯”। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের স্বত:স্ফুর্ত উপস্থিতিতে বনভোজনটি পারষ্পরিক সম্প্রীতির এক মনোমুগ্ধকর মিলনমেলায় পরিণত হয়।
পার্কের সবুজ-শ্যামল মাটিতে শিশু-কিশোর ও বড়দের খেলাধূলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের অতীত স্মৃতি রোমন্থন, কুশল বিনিময়, অনুভূতি প্রকাশ এবং উচ্ছাসমুখর আনন্দঘন পরিবেশে দিনটিকে সকলে উপভোগ করেন। বনভোজনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ও বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক প্রফেসর ড. আশরাফ উদ্দিন আহমেদ।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চাকসুর সাবেক জিএস প্রফেসর ড. জমির চৌধুরী ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক যুগ্ম সচিব মোশাররফ হোসেন। সংগঠনের সভাপতি এম. এ. আজিজ নঈমীর নেতৃত্বে বনভোজন কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক নোয়াব মিয়া, প্রধান সমন্বয়কারী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক জাহাঙ্গীর শাহনেওয়াজ ডিকেন্স, সংগঠনের সাবেক সভাপতি পারভেজ কাজী, সংগঠনের সহ সভাপতি হাসান মাহমুদ, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এস. এম. ইকবাল ফারুক, বনভোজন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাসেম ও বনভোজন কমিটির সদস্য সচিব রতন চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে অন্যান্যদের মধ্যে সার্বিক সহযোগিতা করেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক স্বপন দাস, সংগঠনের সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম সগীর, অধ্যাপক লুৎফুর রহমান, সংগঠনের সাবেক সভাপতি দিলওয়ার হাসান ও সংগঠনের সাবেক সভাপতি বিষ্ণু গোপ, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামীম আল মামুন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামশুদ্দীন আজাদ, আবদুল আউয়াল শামীম, মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, চাকসুর সাবেক বার্ষিকী সম্পাদক অধ্যাপক সুদীপ্ত দেব, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সেলিম, শিবলী ছাদেক, মুহাম্মদ এয়াকুবউদ্দিন চৌধুরী, সলিল চৌধুরী, মোহাম্মদ আনোয়ারুল করিম, মোহাম্মদ আবদুস সবুর খাঁন, সৈয়দা পারভিন আকতার পলি, মিনারা কাজী, সামছুন্নাহার শিল্পী, রোকসানা আজিজ, আয়েশা আকতার হ্যাপি ও শিল্পী হাসান।
অধ্যাপক নোয়াব মিয়া, শিবলী ছাদেক ও সলিল কুমার চৌধুরীর নেতৃত্বে বড়দের জমজমাট ফুটবল ও দৌঁড় প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন বয়সী শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়।
মহিলাদের স্মৃতি পরীক্ষা প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন- শামছুন্নাহার শিল্পী। বনভোজনে শিশু-কিশোরদের যেমন খুশী তেমন সাজো সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। বনভোজনে সন্ধ্যা পর্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পার্কের মনোমুগ্ধকর মায়াবী পরিবেশে সংগঠনের সভাপতি এম. এ. আজিজ নঈমীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন – অধ্যাপক জাহাঙ্গীর এস. ডিকেন্স, বিষ্ণু গোপ, হাসান মাহমুদ, শিবলী ছাদেক, সৈয়দা পারভিন আকতার পলি, সলিল কুমার চৌধুরী।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন – প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. আশরাফ উদ্দিন আহমেদ, বিশেষ অতিথি প্রফেসর ড. জমির চৌধুরী, মোশাররফ হোসেন, অধ্যাপক জাহাঙ্গীর শাহনেওয়াজ ডিকেন্স, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি নার্গিস আহমেদ, ফোবানার নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মীর চৌধুরী, এটর্নী মঈন চৌধুরী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ কবির কিরণ, কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, নুরুল ইসলাম বাহার প্রমুখ।
বনভোজনে এলামনাই পরিবার ও কমিউনিটির বিশিষ্ট শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুর রহমান, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিশনের সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিশনের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, ব্রুকলিন কমিউনিটি বোর্ডের সদস্য মামনুনুল হক, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সহ সভাপতি নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ সোসাইটির স্কুল ও শিক্ষা সম্পাদক আহসান হাবিব সহ কম্যুনিটির বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ বনভোজনে উপস্থিত ছিলেন।