সৈয়দ মামুন হোমেন, মানামা, বাহরাইন: ২৭ জুলাই শনিবার বাহরাইনে একজন বাংলাদেশি সহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে দেশটির সরকারি কৌঁসুলির বিবৃতির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।
রায় কার্যকরের এক দিন আগে তার সাথে সাক্ষাৎ করেন বাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাসের লেবার কাউন্সিলর (শ্রম সচিব) শেখ মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম ও তথ্য ও জনকল্যাণ কাজের প্রতিনিধি তাজ উদ্দিন সিকান্দার।
গতবছর বাহরাইনের আসকর নামক স্থানে লাশ গুম করতে গিয়ে স্ক্যাব ইয়ার্ডে কর্মরত দুই শ্রমিকের তৎপরতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার মুয়াজ্জিন কামাল উদ্দীন (৩৫)। ৫ আগস্ট বাহরাইনের আসকর এলাকার স্ক্যাব ইয়ার্ডের পাশে বস্তাবন্দী কিছু একটা ফেলে যেতে দেখে সন্দেহ হয় স্ক্যাব ইয়ার্ডে কর্মরত দুই শ্রমিকের। তাঁরা এসে ময়লার ব্যাগ ফেলে যাওয়া লোকটির কাছে জানতে চান, ব্যাগের ভেতর কী? তিনি প্রথমে জানান ব্যাগটি ময়লাভর্তি।
একপর্যায়ে তাঁদের সন্দেহ হলে তিনি জানান, তার শিশু বাচ্চা মারা গেছে, তা ফেলে দিতে ব্যাগে ভর্তি করে নিয়ে এসেছেন। তাঁদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হলে তাঁরা পুলিশকে ফোন দেন এবং পুলিশ না আসা পর্যন্ত তাঁকে আটকে রাখেন। পুলিশ এসে ঘাতক মুয়াজ্জিন কামাল উদ্দীনকে গ্রেপ্তার করে এবং একই মসজিদের ইমাম আবদুল জলিল হামদের খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে। মুয়াজ্জিন কামাল উদ্দীন এবং মৃত ইমাম আবদুল জলিল হামদ উদ্ধারের স্থান থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে মুহররকের সিদা মসজিদে কর্মরত ছিলেন। ৪ আগস্ট বাদ ফজর থেকে ইমাম আবদুল জলিল হামদ নিখোঁজ ছিলেন।