প্রবাস মেলা ডেস্ক: ৮টি দাবিতে মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) থেকে ধর্মঘট পালনের হুঁশিয়ারি দেয়া পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে সরকার। রোববার (১০ আগস্ট) দুপুর ৩টায় রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে পরিবহন মালিক শ্রমিক নেতা ও সরকার পক্ষের বৈঠকটি শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
বৈঠকের শুরুতে পরিবহন মালিকদের উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা রাজনৈতিক সরকার না। এমন নয় যে আমাদের কোনো সংগঠন আছে। আমরা আপনাদের প্রতিপক্ষ না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সড়কে মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ি চলছে। এর কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। এগুলো সড়ক থেকে সরাতে হবে। আপনাদের দাবিগুলো যাচাই করতে এক মাস সময় লাগবে।’
এ সময় বৈঠকে আট দফা দাবি তুলে ধরেন পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা। সেগুলো হচ্ছে—
১. সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ৯৮ ও ১০৫ ধারা সংশোধনসহ অতিরিক্ত কিছু ধারা পুনর্বিবেচনা।
২. বাণিজ্যিক মোটরযানের ইকোনমিক লাইফ ২০ ও ২৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩০ বছর করা। এই সমস্যা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ২০ ও ২৫ বছরের পুরোনো গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিত রাখতে হবে।
৩. বাণিজ্যিক যানবাহনের ওপর দ্বিগুণ অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার করে পূর্বের হার বহাল রাখা।
৪. রিকন্ডিশন্ড বাণিজ্যিক গাড়ি আমদানির মেয়াদ ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ১২ বছর করা।
৫. দুর্ঘটনায় জব্দকৃত গাড়ি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মালিকের জিম্মায় ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান বাস্তবায়ন।
৬. মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহনের জন্য স্ক্র্যাপ নীতিমালা প্রণয়ন।
৭. মহাসড়কে অটোরিকশা, টেম্পো ও অনুমোদনহীন হালকা যান পৃথক লেনে চালানোর ব্যবস্থা ও
৮. ড্রাইভিং লাইসেন্স দ্রুত ডেলিভারি ও শ্রমিক ফেডারেশনের ১২ দফা বাস্তবায়ন।