দেশের নাম : ঘানা
রাজধানী : আক্রা
রাষ্ট্রীয় ভাষা : ইংরেজি
সরকার : সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র
স্বাধীনতা : ৬ মার্চ ১৯৫৭ সালে যুক্তরাজ্য থেকে
জনসংখ্যা : ৩ কোটি ১০ লাখ প্রায়
মুদ্রা : ঘানাইয়ান সেডি (GHS)
সময় অঞ্চল : জিএমটি (ইউটিসি ০)
গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি) জিএমটি (ইউটিসি ০)
কলিং কোড : ২৩৩
ইন্টারনেট টিএলডি : .জিএইস
আরো কিছু তথ্য: ঘানা পশ্চিম আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র। ঘানা বা গানা (ইংরেজি: Ghana গানা, আসান্তে চুই ভাষায়: Ghana বা Gaana গানা)। ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত এটি গোল্ড কোস্ট নামের ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল। সেবছরই এটি সাহারা-নিম্ন আফ্রিকান দেশগুলির মধ্যে প্রথম দেশ হিসেবে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
আধুনিক ঘানার কয়েকশত মাইল উত্তর-পশ্চিমে উর্ধ্ব নাইজার নদীর তীরে অবস্থিত মধ্যযুগীয় সাম্রাজ্য ঘানার নামে দেশটির নামকরণ করা হয়। স্বাধীনতার পর আফ্রিকান বাকী দেশগুলির স্বাধীনতার জন্য ঘানা নেতৃত্ব দেয়। ঘনবসতিপূর্ণ এই দেশটিতে ১০০-এর বেশি জাতির লোকের বাস। কিন্তু অন্যান্য আফ্রিকান দেশগুলির মত এখানে দেশ বিভাজনকারী জাতিগত সংঘাত তেমন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠেনি।
ঘানার অর্থনীতি আফ্রিকার অন্যতম শক্তিশালী অর্থনীতিগুলির একটি। কৃষি দেশটির অর্থনীতির মূল ভিত্তি এবং এখানকার বেশির ভাগ লোকই দরিদ্র। স্বর্ণ খনিশিল্প, চকোলেটের উপাদান, কাকাও উৎপাদন এবং পর্যটন দেশটির আয়ের প্রধান উৎস। ১৫শ ও ১৬শ শতকে যেসব ইউরোপীয় এখানে সোনার খোঁজে এসেছিলেন, তারা অঞ্চলটিকে গোল্ড কোস্ট নাম দেন। সামরিক ক্যু এবং অর্থনৈতিক সমস্যা ১৯৬০-এর দশক থেকে ১৯৮০-র দশক পর্যন্ত ঘানাকে বিপর্যস্ত করে রাখে। ১৯৯০-এর দশকে ঘানাতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আফ্রিকান রাজনীতিতে একটি নেতৃস্থানীয় দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়। ১৯৯৭ সালে ঘানার কূটনীতিক কফি আনান জাতিসংঘের মহাসচিব হন। এরপর থেকে বিশ^পরিম-লে ঘানার পরিচিতও বাড়তে থাকে।
বাংলাদেশ ঘানা সম্পর্ক: পশ্চিম আফিকার দেশ ঘানার সাথে বাংলাদেশের ভালো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশ প্রায়ই বাণিজ্য মেলার আয়োজন করে থাকে। ভালো অর্থনৈতিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ঘানায় বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। আমাদের দেশের তৈরি পোশাক ও ঔষধ শিল্পের মত দ্রব্যাদিতে ঘানায় ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশের বড় বড় ফুটবল ক্লাবগুলোয় ঘানার খেলোয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রায় প্রতিটি ক্লাবেই ঘানার একাধিক খেলোয়ারকে খেলতে দেখা যায়।