রাশেদ কাদের, আম্মান, জর্ডান প্রতিনিধি: জর্ডানে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে জর্ডানের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্কুলের শিক্ষার্থী, দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং জর্ডানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

এর আগে, দূতাবাস জর্ডানের কল্যাণ সমিতি ফ্রেন্ডস অফ জর্ডান সোসাইটি কর্তৃক পরিচালিত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে একটি শিল্প প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল। উক্ত প্রতিযোগিতায় শিশুরা বাংলাদেশের স্মৃতিচিহ্ন, পতাকা, ফল, ইলিশ এবং অন্যান্য ঐতিহ্যের ছবি এঁকেছে। উক্ত প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য ছিল জর্ডানের শিশু-কিশোরদের কাছে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে পরিচিত করা।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর স্মরণে আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান ও প্রবাসী বাংলাদেশি প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু শিশুদের ভালোবাসতেন। শিশুদের অধিকার ও ন্যায্য আচরণ নিশ্চিত করতে তিনি নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, শিশুদের ওপর জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে। তাই এই দিনটিকে ‘জাতীয় শিশু দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ফ্রেন্ডস অব জর্ডান সোসাইটির একজন পরিচালক এবং প্রতিযোগিতায় শিশুদের গ্রুপ ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন।
পরে রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান সকল শিশুদের সাথে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী’র কেক কাটেন।
শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আত্মার শান্তি কামনায় এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।