মোহাম্মদ রাশেদ, আম্মান, জর্ডান: জর্ডানে বাংলাদেশ দূতাবাসের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন করা হয়। জর্ডানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান ৭ মার্চ সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। এরপর মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধান মন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
কার্যালয় প্রধান মোহাম্মদ বশিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জর্ডান প্রবাসী বাংলাদেশি, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ জর্ডানে কর্মরত বাংলাদেশিরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, বঙ্গবন্ধুর এ ভাষনটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের সুস্পষ্ট নির্দেশনা। দির্ঘ নয়মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের এক দীপ কঠিন নির্দেশনা ছিল এই ভাষণে।

মান্যবর রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান তার বক্তব্যে বলেন, রেসকোর্স ময়দানে সেদিন ঘোষিত হয়েছিল ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সামাজিক রাজনৈতিক ও শোষণ মুক্তির সনদ। যে বীজ বঙ্গবন্ধু বপণ করেছিলেন রেসকোর্স ময়দানে তার অনুপস্থিতেও সেই দিন দীপ্ত কঠিন নির্দেশনায় পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতা হয়ে ধরা দেয় ১৬ ডিসেম্বর। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ ভাষণ দল, মত, ধর্ম নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন। তার এই ভাষণ ১৯৪৭ পরবর্তী বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছা প্রয়োজন এবং স্বাধীনতা উদ্দীপনায় সামষ্টিক রূপধারণ করেছে। এরই প্রেক্ষিতে এই ভাষণের তাৎপর্য অনুধাবন করে এই ভাষণকে world documentary heritage হিসাবে international memory of the world register অন্তর্ভূক্ত করেছে। উক্ত অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ সম্প্রচার করা হয়। সবশেষে বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফেরাত করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়