হাকিকুল ইসলাম খোকন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি: সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এক হতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি। ভিন্ন ব্যানারে হাতে গোনা কয়েকজনকে নিয়ে নেত্রীর মুক্তির আন্দোলন করছে।
২৯ জানুয়ারি ২০২০, বুধবার রাত ৮ টায় জ্যাকসন হাইটস পালকি সেন্টারে প্রবাসী নাগরিক সমাজের ব্যানারে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয় সেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়ার আহবান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়কারি কাজী শাখাওয়াত আযম ও শেখ সিরাজুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, ফোবানার কনভেনর ও জেবিবিএ সভাপতি শাহনেওয়াজ, লংআইল্যান্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. শওকত আলী, নাগরিক সমাজ নেতা আলী ইমাম, কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, সাংবাদিক মঈনুদ্দিন নাসের, জসিম উদ্দিন, মাকসুদ চৌধুরি, শাহাদাত হোসেন রাজু প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তরা বলেন, দেশে আজ গণতন্ত্র নেই, গণতন্ত্র থাকলে প্রতিবেশি রাষ্ট্র আমাদের দেশের মানুষের উপর অমানুষিক হত্যা নির্যাতন করতে পারতো না। তাই প্রথম দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
বক্তরা আরো বলেন, আমাদের বসে থাকলে চলবেনা। সম্মিলিত ভাবে ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্টে অনিয়মের বিরুদ্ধে চিঠি দিতে হবে । প্রয়োজনে ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাও করতে হবে।
সর্বশেষ মুজিববর্ষ পালনের আগে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়ার আহবান জানান। অন্যথায় মুজিববর্ষ পালনে বাধা দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারন করেন। ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বিএনপির আরেক নেতা মিল্টন ভূঁইয়ার নেতৃত্বে দেশনেত্রী মুক্তি আন্দোলন পরিষদের ব্যানারে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করা হয়। মুলত ২৯ জানুয়ারির ২০২০ অনুষ্ঠানে আসা লোকজনই দেশনেত্রী মুক্তি আন্দোলনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দেশনেত্রীর মুক্তির বিষয়ে বিচ্ছিন্নভাবে অনুষ্ঠান করায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একাধিক নেতা কর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির অনুষ্ঠান শুধুই লোক দেখানো। এসব অনুষ্ঠানে বিএনপি ঘরানার বেশিরভাগ লোক অনুপস্থিত । সামনে হয়তো যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কমিটি আসতে পারে, কেন্দ্রীয় নেতৃবন্দের আনুকল্য পাওয়ার জন্যই বিচ্ছিন্নভাবে এসব অনুষ্ঠান করছে ।