প্রবাস মেলা ডেস্ক: বিশ্বের নানা প্রান্তের অভিজ্ঞ গবেষকদের জন্য স্থায়ী বসবাসের (ইন্ডিফিনিট লিভ টু রিমেইন) এর জন্য সহজ নীতি ঘোষণা করছে বৃটিশ সরকার। গবেষকদের জন্য ‘গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা’ অনুযায়ী, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জাগুয়ার ল্যান্ড রোভারসহ ১০০টির বেশি গবেষণানির্ভর বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এখন ‘এন্ডোর্সড ফান্ডার’ রুটে আন্তর্জাতিক গবেষকদের স্পনসর করতে পারবে। উক্ত স্কীমে যোগ্য গবেষকরা মাত্র তিন বছর পরই বৃটেনে ‘ইন্ডিফিনিট লিভ টু রিমেইন’ বা স্থায়ী বসবাসের আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
গবেষকদের মধ্যে জীবন বিজ্ঞান, বায়োটেক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, উন্নত উৎপাদন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সৃজনশীল শিল্পসহ ১০টি খাতের গবেষণানির্ভর প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার, জিএসকে, জিনোমিকস ইংল্যান্ড, ওয়েলকাম ট্রাস্ট স্যাঙ্গার ইনস্টিটিউট, আইবিএম, আর্ম, অক্সফোর্ড কোয়ান্টাম সার্কিটস, ইউকে অ্যাটমিক এনার্জি অথরিটি এবং ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার ল্যাবরেটরি।
৬ আগস্ট ঘোষিত এই সংস্কারের মাধ্যমে গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসার এন্ডোর্সড ফান্ডার পথটি ১০০টির বেশি নতুন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯১টিতে। এছাড়া সরকার ‘ফিউচার টেকনোলজি রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন স্কিম’ আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে এআই, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বায়োলজির মতো অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে আন্তর্জাতিক গবেষকদের যুক্তরাজ্যে কাজের সুযোগ দেওয়া হবে।
বৃটেনের বাণিজ্য সচিব জোনাথন রেনল্ডস বলেন, বিশ্বের সেরা গবেষণা প্রতিভাদের জন্য যুক্তরাজ্য ইতোমধ্যেই অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। নতুন এই সম্প্রসারণের ফলে উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক মানের গবেষক নিয়োগ আরও সহজ হবে। ইউকেআরআই-এর ইন্টারন্যাশনাল, ট্যালেন্ট অ্যান্ড স্কিলস চ্যাম্পিয়ন অধ্যাপক ক্রিস্টোফার স্মিথ বলেন, এই উদ্যোগের সুফল ওষুধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সৃজনশীল শিল্পসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে।