প্রবাস মেলা ডেস্ক: প্রবাসী বাংলাদেশিদের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন পাক্ষিক প্রবাস মেলা অফিস ভিজিট করেছেন সংগীতশিল্পী নাওশীন তাবাসসুম অমি।
সম্প্রতি এক সন্ধ্যায় হাতিরপুলস্থ নাহার প্লাজায় প্রবাস মেলা কার্যালয়ে সংগীত চর্চাসহ নানান বিষয় নিয়ে কথা বলেন এই সঙ্গীতশিল্পী।
উল্লেখ্য, নাওশীন তাবাসসুম অমির সংগীতের হাতেখড়ি হয়েছিল ২০০৫ সালে সাধন সরকারের হাত ধরে। সেইসময় তিনি ঢাকা ওয়াই ডব্লিউ সি এ বিদ্যালয়ে গানের স্কুলে ভর্তি হন এবং সেখানে ৪ বছর সকল ধরনের গানের তালিম নেন তিনি। ২০০৯ সালে ছায়ানট সংগীত বিদ্যায়তনে শিশুতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ হয় তার। ছায়ানট সংগীত বিদ্যায়তনে বিজন মিস্ত্রি, রেজাউল করিম, ঝুমা খন্দকার, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস, শারমিন সাথী ময়না, কল্পনা আনাম, শাহীন সামাদ, খায়রুল আনাম শাকিল, আসিত দে ও রেজওয়ান আলী লাভলু’র মত গুণীজনদের সানিধ্য লাভ করেন এবং ২০১৬ সালে সম্পুর্ণ পাঠ সম্পন্ন করে প্রথম মান নিয়ে নজরুল সংগীত বিভাগে উত্তীর্ণ হন। কিছুদিন ছায়ানটের শিক্ষক সহযোগী হিসেবে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল অমির। পাশাপাশি নজরুল ইন্সটিটিউট এর ‘তরুণ’ কোর্সটিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি। এরপর তিনি শুদ্ধসঙ্গীতের তালিম নেয়া শুরু করেন গুরু অসিত দে এর কাছে। ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন স্কুলভিত্তিক প্রতিযোগিতা এবং জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতাগুলোতে অংশগ্রহণ করেছেন এবং পুরস্কৃত হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতায় ঢাকা জেলায় নজরুল সংগীত বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বাংলাদেশ বেতারে নজরুল সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ এবং ভারতের আধুনিক গানও করে থাকেন।
নাওশীন তাবাসসুম অমি গানের পাশাপাশি পড়াশোনা করছে গভর্নমেন্ট কলেজ অফ অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সাইন্স এ। তিনি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উদ্যোক্তা বিষয়ে সম্মান তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।
গত কয়েক বছরে বিভিন্ন জায়গায় গান পরিবেশন করে সুনাম কুড়িয়েছেন অমি। নজরুল সঙ্গীতের মাধ্যমে ভবিষ্যতে পুরো বিশ্বে দেশের কৃষ্টি তুলে ধরতে চান তিনি।
শেষে পত্রিকার রিপোর্টার বাছের আলী ও অনলাইন রিপোর্টার আশরাফুল আলম মাসুদ এই শিল্পীর হাতে পত্রিকার সৌজন্য কপি তুলে দেন।