মো: জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়, রিয়াদ, সৌদি আরব প্রতিনিধি: ২৫ ডিসেম্বর ২০২২, রবিবার রাতে কেক কেটে আল হাছা কটন হাউজের ৬ষ্ঠ শাখার উদ্বোধন হয়েছে।সৌদি আরবে বাংলাদেশের পোশাকের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রবাসের বিপণী-বিতানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে। সৌদি আরবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সম্ভাবনা রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে বাংলাদেশের গার্মেন্টস পণ্যের বিক্রি বেশ ভালো। শীতে কিংবা গরমে, সব মৌসুমেই বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বাজার জমজমাট থাকে দেশটিতে। রিয়াদ, জেদ্দা, মক্কা, মদিনা, দাম্মাম, আল কাসিম, আল হাছা, আবহা, আল জুবাইল, বুরাইদাসহ প্রাদেশিক অঞ্চলে দেশীয় পোশাকের প্রায় তিন হাজারও বেশি ছোট, বড় দোকান আছে। যার মালিকানায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এই দোকানগুলো থেকে বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা পোশাক কিনে থাকেন।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কটন হাউজের মালিক মো: শামিম আহমেদ বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আমাদের দেশের তৈরি পোশাকের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে, যার কারণেই এ যাবৎ কটন হাউজের ৬টি শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে। অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও একের পর এক সুপারশপ করছেন।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক আল হাছা কটন হাউজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসে সৌদি নাগরিক মোরশেদি আবদুর রহমান সালেদি বলেন- বাংলাদেশের মানুষ খুব পরিশ্রমী, তারা যেকোনো কাজ আন্তরিকতার সঙ্গে করে থাকে। যার ফলে দ্রুত সফলতা পাচ্ছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক সৌদি আরব সহ সকল দেশের সুপারশপে বিক্রি হচ্ছে, আর এ কাজে আমরা তাদের সহযোগিতা করছি। আগামিতেও বাংলাদেশের সাথে আছি।

কটন হাউজে সৌদি নাগরিক ছাড়াও, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান সহ বিভিন্ন দেশের ক্রেতাদের দেখা যায়।
দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো তৈরি পোশাকের আয় বছরে হাজার কোটি টাকা। সৌদি আরবে পোশাক বিক্রির মাধ্যমে দেশে আসছে বৈদেশিক মুদ্রা, অন্যদিকে প্রবাসে বাড়ছে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থান। কারণ প্রবাসীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যারা কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন তারাও বাংলাদেশি নাগরিক।