প্রবাস মেলা ডেস্ক: প্রায় ৭ মাস ধরে চলা ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধে এবার কিছুটা এগিয়ে কিয়েভ। কেননা যুদ্ধের শুরুতেই ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ শহর লুহানস্ক ও দোনেৎস্কের দখল নিয়েছিলো মস্কোর সেনারা। তবে এবার রুশ দখলকৃত ৬ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
সোমবার ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, চলতি মাসেই পূর্ব ও দক্ষিণের বড় একটি অংশ দখলমুক্ত করা হয়েছে। রুশ বাহিনীকে ইউক্রেনী ভূখণ্ড থেকে সরাতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
এদিকে নিয়ন্ত্রণ হারানোর বিষয়টি স্বীকার করেছে রাশিয়াও। তবে মস্কোর পিছু হটাকে স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছেন না অনেক সামরিক বিশেষজ্ঞ। কেননা গেলো জুলাইয়ে রুশ সেনারা পিছু হটলেও আগস্টের মাঝামাঝি শুরু করে ভয়াবহ মিসাইল হামলা।
মস্কোর দাবি, লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক অঞ্চলে অভিযান জোরদার করতে খারকিভ থেকে আংশিক সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে এমন সাফাইকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না খোদ রাশিয়ানরাই। অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেনা প্রত্যাহারকে লজ্জাজনক বলে বর্ণনা করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, ইউক্রেনীয় বাহিনী তাদের পাল্টা আক্রমণে সফলতা পেয়েছে। যদিও চূড়ান্ত ফল জানতে আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে।
শঙ্কার বিষয় এরইমধ্যে ইউক্রেনে বড় আকারের বাহিনী মোতায়েন করেছে রাশিয়া। যাদের কাছে আছে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম, অস্ত্র ও গোলাবারুদ। এসব কেবল ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী নয়, বেসামরিক নাগরিক এবং বেসামরিক অবকাঠামোর বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করছে বিশ্বের নেতারা।
এর আগে গলো ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় আগ্রাসনের নির্দেশ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এখনও দেশটির প্রায় এক পঞ্চমাংশ রাশিয়ার দখলে।