প্রবাস মেলা ডেস্ক: এর আগে ২০২০ সালের মে মাসে ১.০৯ ডলারের প্রবাসী আয় অর্জন করে বাংলাদেশ। এরপর গত প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) প্রবাহের ঊর্ধ্বমুখী ধারা গেল ফেব্রুয়ারিতে নাটকীয় পতনের মুখে পড়েছে। বছরওয়ারি হিসাবে যা কমেছে ১৬ শতাংশ এবং তা গত ২১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০২০ সালের মে মাসে ১.০৯ ডলারের প্রবাসী আয় অর্জন করে বাংলাদেশ। এরপর গত ফেব্রুয়ারিতেই সবচেয়ে কম প্রবাসী আয় পেয়েছে দেশ, যার পরিমাণ ১৫০ কোটি ডলার।
জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স ছিল ১৭০ কোটি ডলার। সেই হিসেবে এক মাসের ব্যবধানে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতে কমেছে ২০৮ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১২.২২ শতাংশ।
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ১৭৮ কোটি ডলার। সে হিসেবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স কমেছে ২৮৪ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৬ শতাংশ। ১ মার্চ ২০২২, মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য সরকারের রেমিট্যান্স অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ২৬ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু, অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসেই তাতে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।
অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩.৪৪ বিলিয়ন ডলার, যা সরকারি লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৫২ শতাংশ।
দেশে প্রবাসী আয় প্রবাহ বাড়াতে সরকারের দেওয়া প্রণোদনা সুবিধা সম্প্রতি আবার বাড়ানো হয়। এর আওতায় প্রবাসীরা দেশে আয় পাঠানোর ওপর ২.৫ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাবেন।
২০২১ সালে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২২.০৭ বিলিয়ন ডলার। আগের বছর ২০২০ সালে আসে ২১.৭৪ বিলিয়ন ডলার। ২০১৯ সালে আসে ১৮.৩৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স।