হাকিকুল ইসলাম খোকন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি: এবার ইউরোপের দেশগুলোর পর আফ্রিকার নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের সংক্রমণ ঠেকাতেই এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বাইডেন প্রশাসন। আগামী সোমবার থেকে এ বিধিনিষেধ কার্যকর হবে। এদিকে কানাডাও আফ্রিকার দেশগুলোতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের পর তা রীতিমতো উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ। এ ধারাবাহিকতায় আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। এবার এই তালিকায় যুক্ত হলো যুক্তরাষ্ট্রও।
স্থানীয় সময় ২৭ নভেম্বর ২০২১, শনিবার এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই পদক্ষেপকে নতুন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ঠেকাতে ‘সতকর্তামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে বলেছেন। জো বাইডেন বলেন, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানা-বোঝার আগেই আফ্রিকার নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে সতকর্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানা, লিসোথো, এসওয়াতিনি, মোজাম্বিক ও মালাওয়ি থেকে আসা ফ্লাইটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। আগামী সোমবার থেকে এ বিধিনিষেধ কার্যকর হবে।
এদিকে একই পথে হাঁটতে যাচ্ছে কানাডাও। দক্ষিণ আফ্রিকাসহ ওই দেশগুলোতে অবস্থানকারী বিদেশি ভ্রমণকারীদের জন্য সীমান্ত বন্ধ করতে যাচ্ছে দেশটি। এ ছাড়া এর আগে ওই দেশগুলোতে ঘুরে এসেছেন কানাডায় অবস্থানরত এমন ভ্রমণকারীদের জন্যও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি আফ্রিকার নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জার্মানি, ইসরাইলসহ কয়েকটি দেশ। করোনার নতুন ‘ওমিক্রন’ ভ্যারিয়েন্টটি সর্বপ্রথম ২৪ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হয়। এরপর এটি আরও কয়েকটি দেশে শনাক্ত হয়। এতে বিশ্বব্যাপী নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বর্তমানে নতুন ভ্যারিয়েন্ট ও এর সংক্রমণের বিষয়টিকে পর্যবেক্ষণ করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।