মুহম্মদ শামসুল হক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র: স্মরণাতীতকালে সমগ্র বিশ্ব ছিল সুজলা সুফলা অরণ্যকুন্তলা। নিজস্ব ঐশ্বর্য্যরে সাথে নদী নালা খাল বিল ডোবা গর্ত জলাশয় এবং অসংখ্য শ্বাপদসঙ্কুল বন-বাদাড়ে ছিল টইটম্বুর। কালের অগ্রযাত্রায় মানুষ ঊর্ণনাভের মত বসতি স্থাপন, গ্রামায়ন, শহরায়ন, নগরায়ন ইত্যাদি নানাবিধ পরিকল্পনার জাল বিস্তার করে নদী নালা খাল বিল ভরাট করেছে এবং হাজার হাজার বনবাদাড় উজাড় করে সমাজ এবং সভ্যতার ভিত রচনা করেছে। আবার শিল্পায়ন প্রকল্পের আওতায় টিলা-টালা চুরমার করে সমতল ভূমিতে পরিণত করেছে। পররাজ্য জবরদখলের নেশায় উন্মত্ত বিশ্ব পরাশক্তিগুলো অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র-ক্ষেপণাস্ত্র এবং পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে প্রাকৃতিক ভারসাম্যের বারটা বাজিয়েছে।

মাত্রাতিরিক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইডের নির্গমণ ঘটিয়ে বাতাসে ওজনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে এবং গোটা বিশ্বে শ্বাসরুদ্ধকর বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিয়েছে। ফলশ্রুতিতে প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীন বিশ্বজননীর স্বাভাবিক রূপৈশ্বর্যে ভাটা পড়ছে এবং দিনে দিনে সব খুইয়ে এক পর্যায়ে বিশ্ব-প্রকৃতি বিবসনা-বিধবার সাজ অঙ্গে ধারণ করে কায়ক্লেশে নিজ অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। ইষ্টদেবতার পায়ে কুর্ণিশঠেকা অরণ্যচারি-গুহাবাসী মানবসম্প্রদায় এবং একবিংশ শতাব্দীর পরমাণু বিজ্ঞানীদের সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টার নিকট সর্বংসহা বসুন্ধরা সাময়িকভাবে হার মানলেও রাবণের চিতাসম প্রতিশোধ পরায়ণতা ও অশান্তির দাবানল অহর্নিশ দাউ দাউ করে অদ্যাবধি জ্বলছে প্রকৃতির হৃদয়ের গভীরে। তাই প্রতিশোধ গ্রহণে সঙ্কল্পবদ্ধ রুদ্র-রুক্ষ ভয়াল প্রকৃতি দীর্ঘ খরা, অনাবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির লাভা উদগীরণ ইত্যাদির মাধ্যমে ধরাপৃষ্ঠ থেকে মানুষের অস্তিত্ব চিরতরে মুছে ফেলার জন্য বারম্বার মরণ আঘাত হানছে। কিন্তু ক্ষয়-ক্ষতি-ধ্বংসযজ্ঞ এবং প্রাণহানির সংখ্যা সহনীয় পর্যায়ে থাকায় প্রকৃতির এ সকল নির্মমতা সমাজ ও সভ্যতার ভিতকে তেমন সজোরে নাড়া দিতে পারেনি।
অবশ্য যুগে যুগে এপিডেমিক, পেন্ডামিক ও এন্ডেমিক জাতীয় মহামারির মরণ থাবার আঘাতে ধরাপৃষ্ঠ থেকে মানুষের অস্তিত্ব চিরতরে মুছে ফেলতে সক্ষম না হলেও সমাজ এবং সভ্যতার ভিতকে বহুলাংশে নড়বড়ে করে তুলেছে। প্রাণসংহার এবং ধ্বংসযজ্ঞের পরিপ্রেক্ষিতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীগণ প্রাকৃতিক মহামারিকে এপিডেমিক, পেন্ডাামিক এবং এন্ডেমিক হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।
কোন প্রাকৃতিক রোগ্য-ব্যাধি মহামারি আকারে কোন দেশ, জনগোষ্ঠী বা বিশেষ অঞ্চলে আঘাত হানলে তাকে বলা হয় এপিডেমিক। আবার বিশেষ কোন জনগোষ্ঠী কিংবা দেশে মহামারি আকারে কোন রোগ-ব্যাধি ছড়িয়ে পড়লে তাকে বলা হয় এনডেমিক। পক্ষান্তরে কোন রোগ-ব্যাধি বিশেষ মহামারি আকারে গোটা বিশ্বে সংক্রমিত হলে এবং কোটি কোটি লোককে আক্রমণ করলে কিংবা কয়েক কোটি লোকের তরতাজা প্রাণ ছিনিয়ে নিলে তাকে বলা হয় পেন্ডামিক।

ব্যাপক প্রাণহানি এবং ধ্বংসযজ্ঞের বিবেচনায় বিগত ৬০০ বছর ধরে প্রতি ১০০ বছরের ব্যবধানে সংক্ষুব্ধ প্রকৃতি কখনো প্লেগ, কখনো বসন্ত, কখনো কলেরা, কখনো ফ্লু আবার কখনো করোনা ভাইরাস মহামারি ছদ্মনামে আঘাত হেনে সমাজ এবং সভ্যতার সুরক্ষিত হর্মে বড় ধরনের ফাটল ধরিয়েছে। আবার অন্যান্য মহামারির তুলনায় প্লেগ রূপেই সর্বগ্রাসী প্রকৃতি একাধিকবার চরম আঘাত হেনেছে মানুষের অস্তিত্বের মর্মমূলে।
প্রতিটি পেন্ডামিক অসংখ্য প্রাণহানি, অবর্ণনীয় ধ্বংসযজ্ঞ সাধন ছাড়াও সকল দেশের প্রশাসনিক ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে বড় ধরনের ছন্দপতন ঘটিয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে লেজে-গোবরে দশার সৃষ্টি করেছে। পেন্ডামিকের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে ক্ষুধা-দারিদ্র্য-বেকারত্ব সমাজ এবং সভ্যতার অগ্রগতির চাকাকে মন্থর করে তুলেছে। প্রতিটি পেন্ডামিক বিজ্ঞানী এবং বিশ্ব পরাশক্তিগুলোর আস্ফালনকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে জগদীশ্বরের অস্তিত্বে অস্বীকারকারী চরম নিরশ্বরবাদীরাও লোকচক্ষুর অন্তরালে গভীর রাতে একাকী অশ্রু বিসর্জনে বাধ্য হয়েছে মহান প্রতিপালকের দয়া লাভের আশায়। সকল ধর্মীয় উপাসনাগুলোতে প্রার্থনার ঢল নেমেছিল। পররাজ্য ও সম্পদ কুক্ষিগত করার মোহ ভুলে গিয়ে বিশ্বজুড়ে মানবতা এবং সাম্যের জিকির উঠেছিল। কিন্তু পেন্ডামিক পরবর্তী পর্যায়ে মানুষ স্বভাবধর্ম মোতাবেক আবারও পাপাচারে জড়িয়ে পড়ছে এবং আরও একটি মরণ আঘাত হানার জন্য পেন্ডামিককে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। যাহোক, ধরাপৃষ্ঠ থেকে মানুষের অস্তিত্ব চিরতরে মুছে ফেলার লক্ষে প্রতি ১০০ বছরের ব্যবধানে ভয়াবহ মহামারি রূপে প্রতিশোধপরায়ণ প্রকৃতির আঘাত হানার কয়েকটি জাজ্বল্যমান প্রমাণ নিম্নে প্রদত্ত হল:

১৪২০ সালের প্লেগ: পবিত্র কুরআনে বর্ণিত মহাপ্রলয়ের পর ইঁদুর বাহিত প্লেগ ব্যাকটেরিয়া ১৪২০ সালে মহামারি আকারে হানা দিয়েছিল ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল জুড়ে। ক্ষয়ক্ষতি এবং নিধনক্রিয়ার বিচারে রাতারাতি সমগ্র অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া এই মহামারির নাম দেয়া হয়েছিল ব্ল্যাক ডেথ (কালো মরণ)। প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত অনুসারে প্লেগ কবলিত অঞ্চলের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশ এই মহামারিতে প্রাণ হারিয়েছিল। রাতারাতি অগণিত লোক মারা যাওয়ায় ধর্মীয় সৎকারও চরমভাবে ব্যাহত হয়েছিল।

১৫২০ সালের গুটি বসন্ত: এক সময় গুটি বসন্ত বা স্মল ফক্স ছিল চিকিৎসার অতীত মহামারি। ১৫২০ সালে মহামারি আকারে বসন্ত আঘাত হেনেছিল আজটেক সাম্রাজ্য জুড়ে। গোটা সাম্রাজ্যের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী বসন্তে আক্রান্ত হয়ে চিত্রগুপ্তের খতিয়ানে নাম লিখিয়েছিল এবং বাদবাকি আক্রান্তরাও পঙ্গু ও অকমর্ণ হয়ে পড়েছিল। সাম্রাজ্যের সামরিক দুর্বল হয়ে পড়ায় স্পেনিয় ঔপনিবেশিকদের হামলার মুখে প্রতিরোধ সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল। তদুপরি শারীরিকভাবে অক্ষম কৃষকরা প্রয়োজনীয় ফসল উৎপাদনে ব্যর্থ হওয়ায় অনাকাঙ্খিত দুর্ভিক্ষে হাজার হাজার লোকের মৃত্যু ঘটেছিল।

১৬২০ সালের প্লেগ: ইঁদুর বাহিত প্লেগ ব্যাকটেরিয়া ১৬২০-২১, ১৬৫৪-৫৭ এবং ১৬৬৫ সালে একাধিকবার মরণ আঘাত হেনেছিল উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন শহর-নগরীতে। ১৪২০-২১ সালে প্রথম দফা প্লেগের কবলে পড়ে শুধুমাত্র আলজিরিয়াতেই ৩০ থেকে ৫০ হাজার লোক মারা গিয়েছিল যা ছিল দেশটির মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি। পরবর্তী পর্যায়ে প্লেগের কবলে পড়ে উত্তর আফ্রিকার বহু এলাকা জনমানবশূণ্য বিরাণ ভূমিতে পরিণত হতে চলেছিল।
১৭১৭ সালের দৃষ্টিশক্তি আচ্ছন্নকারী হিমঝঞ্ঝা: ১৭১৭ সালে প্রকৃতির রুদ্র রোষের শিকার হয়েছিল ভার্জিনিয়া এবং নিউ ইংল্যান্ডের কলোনীগুলো। দৃষ্টিশক্তি আচ্ছন্নকারী ঝড় এবং শিলাবৃষ্টির সাথে ৫ থেকে ২০ ফুট বরফপাতের ফলে সমগ্র এলাকা তলিয়ে গিয়েছিল।

১৭২০ সালের প্লেগ: চর্বিত চরণ মনে হলেও বলতে হচ্ছে, অন্যান্য মহামারির তুলনায় প্লেগ রূপেই সর্বগ্রাসী প্রকৃতি একাধিকবার চরম আঘাত হেনেছে মানুষের অস্তিত্বের মর্মমূলে। ১৬৬৫ সালে উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন নগরীতে আঘাত হানার পর ১৭২০ সালে মহামারি রূপে প্লেগ আবার আঘাত হেনেছিল সমগ্র ইউরোপে। প্লেগ অব মার্সীলেস ছদ্মনামে পরিচিত উক্ত বিউবৌনিক প্লেগ অতি অল্প সময়ে সমগ্র ইউরোপে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং ১০ লাখেরও অধিক তরতাজা প্রাণ ছিনিয়ে নিয়েছিল। ১৭৪০ থেকে ১৭৪২ সালে প্লেগ আবারও ইউরোপে আঘাত হেনেছিল এবং ঐতিহাসিক অটোমন সোসাইটির পতন ঘটিয়েছিল। উনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় কোয়ার্টার পর্যন্ত ইউরোপ প্লেগের অভিশাপ থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেনি।

১৮২০ সালের কলেরা: ১৭২০ সালে প্লেগ পুনরায় ইউরোপে আঘাত হানার ১০০ বছর পর ১৮২০ সালে আবার মানুষের অস্তিত্বের মর্মমূলে আঘাত হেনেছিল কলেরা মহামারি। প্রাকৃতিক দূষিত পানি পরিশোধন করার কিংবা খোলা জলাশয়ের পানি ফুটিয়ে পান করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে তৎকালীন মানুষের কোন ধারণা ছিল না। ফলে পানিবাহিত কলেরার জীবাণুযুক্ত পানি পান করার পর লাখ লাখ মানুষ চোখের নিমেষে কলেরায় আক্রান্ত হয়ে পড়ত এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে অল্পক্ষণেই মারা যেত। কলেরায় এশিয়ার অনেকগুলো অঞ্চল বিশেষত ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন এবং থাইল্যান্ড এর লাখ লাখ বাসিন্দা রাতারাতি আক্রান্ত হয়েছিল এবং ১০ লাখেরও বেশি তরতাজা প্রাণ কয়েক দিনে ঝরে গিয়েছিল।
১৯২০ সালের স্প্যানিশ ফ্লু: একদিকে প্রথম মহামুদ্ধে তান্ডব অন্যদিকে ১৯২০ সালের স্প্যানিশ ফ্লু’র নিষ্ঠুরতা বিশ্ব থেকে মানুষের অস্তিত্ব বিলীন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। প্রায় ২ বছর ধরে ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্ঠাকারী স্পানিশ ফ্লুতে তৎকালীন বিশ্বের প্রায় দেড় শত কোটি মোট জনসংখ্যার মধ্যে ১০০ কোটিরও বেশি অল্প দিনে এই এইচওয়ানএনওয়ান (H1N1) জীবাণুতে আক্রান্ত করেছিল এবং ১০ কোটিরও বেশি মানুষ মৃত্যুর হিমশীতল স্পর্শে চিরনিদ্রায় আশ্রয় নিয়েছিল।

২০২০ সালের করোনা ভাইরাস: বিশ্বজুড়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েমকারী চীনের উহান গবেষণাগার থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি মানুষকে আক্রমণ করেছে এবং সাড়ে ৪২ লাখ তরতাজা প্রাণ ছিনিয়ে নিয়েছে। আমেরিকায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৪ কোটি এবং মৃতের সংখ্যা ৭ লাখ ছুই ছুই করছে। কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রয়োগ পরিস্থিতির সাময়িক উন্নতি ঘটালেও বিশ্ব এখনও করোনা মহামারির প্রভাব মুক্ত হয়নি। করোনার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট বিশ্বের সকল প্রান্তে নতুনভাবে আঘাত হানছে।
উপসংহারে বলা যায়, মানুষ বিশ্বপ্রতিপালকের সর্বোত্তম সৃষ্টি এবং সর্বাপেক্ষা অকৃতজ্ঞ প্রাণি। সামান্য সুখের সন্ধান পেলেই মানুষ জগদীশ্বরের অপার করুণা ও অবদানের কথা ভুলে যায়। ন্যায়-নীতি-সাম্যবাদ ও মনুষ্যত্ববোধকে নির্বাসনে দিয়ে যাবতীয় পাপাচারে লিপ্ত হয়। তাই প্রাকৃতিক প্রতিশোধ হিসেবেই পেন্ডামিক আঘাত হানে যুগে যুগে। এবারের ভয়াবহ করোনা মহামারি আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে যে বিজ্ঞানের যাবতীয় আবিষ্কার এবং বিশ্বমোড়লদের লম্ফঝম্ফ মূলত পুরোপুরি অর্থহীন। আমরা সুকুমার বৃত্তির অনুশীলন না করলে, পরস্ব হরণ, পররাজ্য দখল, অন্যের উপর প্রভুত্ব বিস্তারের মনোবৃত্তি পরিহার না করলে নিকট ভবিষ্যতে হয়ত বা নতুন করোনা আবারও আঘাত হানবে আমাদের অস্তিত্বে। মনে রাখা উচিত যে মানুষের প্রতিষেধক বা প্রতিকারমূলক ব্যবস্থাকে হার মানিয়ে দেয়ায় শক্তি-সামর্থ্য ভাইরাস বা পরমাণু প্রকৃতি থেকেই লাভ করে থাকে। তাই প্রকৃতির নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে ভাইরাসগুলো কালের সাগর পাড়ি দিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখতে সক্ষম হয়। প্রকৃতির নির্মমতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিকারমূলক স্থায়ী পন্থা উদ্ভাবনে মানুষকে আরও অনেক দুর্লভ্য পথ মাড়াতে হবে এবং ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।
যাহোক, রোগ ব্যাধি খরা মহামারি এবং প্রকৃতির নির্মমতার বিরুদ্ধে পরিচালিত সংগ্রামে বিশ্ববাসীর সাফল্য আমাদের কাম্য। তবে শুধুমাত্র স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং ভ্যাকসিনের উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজেদের শুভ বুদ্ধির উন্মেষ ঘটিয়ে বিশ্বপ্রতিপালকের সর্বোত্তম সৃষ্টির মর্যাদা ভূষিত হওয়া আমাদের করণীয়। বিশ্ববিধাতা আমাদের সহায় হোন।
লেখক: সহযোগি সম্পাদক, সাপ্তাহিক ঠিকানা, যুক্তরাষ্ট্র।