রানা সাত্তার, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: করোনা ভীতি উপেক্ষা করে ঈদ কেনাকাটায় ব্যস্ত চট্টগ্রামবাসী। পছন্দের জিনিস কিনতে এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে ছুটছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। শপিংমল-ফুটপাতে ক্রেতা বিক্রেতা কেউই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। স্রোতের মতো চট্টগ্রাম নগরীতে প্রবেশ করছে মানুষ। কিছুতেই সামাল দিতে পারছেন না কর্তৃপক্ষ। করোনা সংক্রমণরোধে সকাল ১০ থেকে রাত ৯ পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার নির্দেশনা থাকলেও চট্টগ্রামে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে মধ্য রাত পর্যন্ত খোলা থাকছে শপিং সেন্টার।
নগরীর সানমার শপিং, ইউনেস্কো সিটি, সেন্ট্রাল প্লাজা, শপিং কমপ্লেক্স, মতি টাওয়ার, গুলজার টাওয়ার, টেরিবাজার, তামাককুন্ডিসহ অভিজাত শপিং মলগুলোতে গায়ে গা লাগিয়ে চলছে কেনাকাটা। অভিভাবকদের সঙ্গে শিশুরাওরয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের অনেকের মুখে নেই মাস্ক। আবার কারো থাকলেও তা সঠিক নিয়মে পরা ছিল না। বিক্রেতারা বলছেন, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ক্রেতাদের ভিড় ততই বাড়ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাকাটা করতে বললেও তা মানছেন না ক্রেতারা।
৯ মে ২০২১, শনিবার সরেজমিনে শহরের বিভিন্ন শপিংমল ও মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, ঈদ শপিংয়ে উপচেপড়া ভিড়ের কারণে নগরীর জিইসি মোড়, ২নং গেইট, চকবাজার, টেরিবাজার মোড়, তিন পোলের মাথা, মুরাদপুর, বহদ্দার হাট এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। সকাল থেকেই এইসব সড়কে মানুষের কারণে হাটা যেন দুষ্কর। ফলে জরুরি কাজে বের হওয়া বা রোগীদের পড়তে হচ্ছে দুর্ভোগে।
শপিং করতে এসেছেন এমন একজন ক্রেতা বলেন, করোনার কারণে তো ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হতে পারবো না। তাই পছন্দের পোশাক কিনতে এসেছি। টেরিবাজার এক ব্যবসায়ী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে জনসমাগমও তত বাড়ছে। বিক্রিও হচ্ছে সন্তোষজনক হারে।