সৈয়দ এম. হোসেন বাবু, লসএঞ্জেলস, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি: লিটল বাংলাদেশ সংলগ্ন সাইটোলজি চার্জ অডিটোরিয়মে ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ রবিবার সন্ধ্যায় স্বামী অদ্বৈতানত মিশন এবং বাংলাদেশ একাডেমী উদ্যোগে স্বামী শুভানন্দ পুরীর তত্বাবধানে মিঠুন চৌধুরীর সঞ্চালনায় লস এন্জেলেস নতুন প্রজন্মদের নিয়ে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপহার দিলেন।
আমেরিকায় অভিবাসী বাংলাদেশি এবং আমেরিকায় জন্ম ও বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতি শিক্ষার প্রত্যয়ে এগিয়ে চলছে স্বামী অদ্বৈতানত মিশন ও বাংলাদেশ একাডেমী লস এন্জেলেস বাংলা গানের স্কুল।
অংশগ্রহণে নবীন শিল্পীবৃন্দ যথাক্রমে আদৃতা, আদরিকা চৌধুরী, পূর্ণতা মম আচার্য্য, মৃত্যুন্জয় বডুয়া, কুমি বডুয়া, অস্মি কুন্ডু, প্রান্তি মন্ডল, আদিত্য, জয়িতা, অনির্বান, অনিরুদ্ধ, আভা সোহা, সৃজা, আয়ুস্মান।শিল্পী কাবেরী রহমানকে সাথে নিয়ে মিলু আচার্য্য, কবিতা বডুয়া, কুহেলিকা মন্ডল, শান্তা কুন্ডু, কেয়া দত্ত, বাপ্পি রণি বডুয়া, প্রাণেষ বডুয়া ও পলাশ আহমদ রিংকু বডুয়ার সাউন্ড সংযোজনে মনমুগ্ধকর সংগীত পরিবেশন করেন।অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট লস এন্জেলেস ক্যালিফোর্নিয়া যুক্তরাষ্ট্র এর প্রেসিডেন্ট সৈয়দ এম হোসেন বাবু বলেন, প্রবাসে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশি আমেরিকানদের জন্য বাংলা শেখানো এক কঠিন চ্যালেঞ্জ, কিন্তু সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বাংলা গান ও গানের সব বাদ্যযন্ত্র শেখানোর কঠিন কাজ করে যাচ্ছেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশ একাডেমী লস এন্জেলেস স্বামী অদ্বৈতানত মিশন।
আমরা প্রবাসে আমাদের সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরে থাকতে চাই, লালন করতে চাই কিন্তু প্রথম কথা হলো আমাদের নতুন প্রজন্মের বেশির ভাগই বাংলা পড়তে বা লিখতে পারে না। কাজটা যে সহজ নয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে সমন্বিত উদ্যোগ নিলে এটা কিন্তু সম্ভব। তার বড় প্রমাণ আজকের এই নতুন প্রজন্মের পরিবেশনা। আর এস আচার্জ বলেন, ভৌগোলিক এবং সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে এভাবেই বাঙালিরা বিশ্বব্যাপী তাদের সংস্কৃতিকে ধারে রাখছে। তবে প্রবাসে সংস্কৃতিকে লালন পালন করা কিন্তু খুব সহজসাধ্য বিষয় নয়। আমার অনুরোধ লস এন্জেলেসে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে প্রতিনিয়তই বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন জাতীয় দিবস ছাড়াও রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী বেশ বড় পরিসরে উদ্যাপন করা হয়। দেশের সংস্কৃতি ও ইতিহাসের সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দিতে প্রবাসীরা তাঁদের সন্তানদের অনুষ্ঠানস্থলে নিয়ে আসেন।