কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক: ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ এর উদ্যোগে ৪৯তম বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, উন্নয়ন, অগ্রগতি আর সমৃদ্ধির পথে হাঁটছে আজকের বাংলাদেশ। ৪৩ বছর সল্পোন্নত দেশের তালিকায় থাকার পর বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যাওয়ার পথে। আর এটা সম্ভব হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায়।
২৮ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, সন্ধ্যায় ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনের স্থানীয় একটি হলরুমে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব খোকন মজুমদার এবং অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জ্যৈষ্ঠ আওয়ামীলীগ নেতা এবং উপদেষ্টা বাবু সুভাষ ঘোষ। বক্তব্য রাখেন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাঈম উদ্দিন খাঁন, বোরহান উদ্দিন, বেলাল রুমী, সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার সাঈদ, শামীম খালাসি, গোলাম কিবরিয়া শামীম, রোমেল মিয়া সোহাগ সদস্য অলি হোসাইন রিপন, মিজানুর রহমান এবং ডেনমার্ক আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সস্পাদক রনি আলম ।

অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইব্রাহিম তুহিন খাঁন, স্পোর্ট সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পলাশ এবং কার্ষকারী কমিটির সদস্য গোলাম রাব্বি, সামছু আলম, সেলিম রহমান, সাইফুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, আশরাফ মোহাম্মদ, মোহাম্মদ সজিব, নাজমুল ইসলাম, সোহেল খাঁন, শরিফুল ইসলাম, শামীম খাঁন ও আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে শুরুতে জাতির পিতা ‘বঙ্গবন্ধু’, বঙ্গমাতা, জাতীয় চারনেতা, ১৯৭৫এর ১৫ আগস্ট শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
দোয়া পরিচালনা করেন সংগঠনের ধর্ম বিষায়ক সস্পাদক জনাব সাইফুল ইসলাম।
ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সাধারণ সস্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, ৪৯তম বিজয় দিবস হচ্ছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মাথা উচুঁ করার দিন। এই ১৬ ডিসেম্বরের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে বাংলার মুক্তিকামী মানুষের কাছে । এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটে দীর্ঘ দুই যুগের পাকিস্তানি শোষণ এবং বঞ্চনার। নির্ষাতন নিস্পেষণের কবল থেকে মুক্ত হয় বাঙালি জাতি । তাই স্বনির্ভর জাতির নাগরিক হিসাবে আমাদের প্রত্যয় হবে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত দিয়ে সমৃদ্ধ আগামী বাংলাদেশ গড়ার।
অনুষ্ঠানের শেষ অংশে মুক্তিযুদ্ধের উপর প্রমাণ্যচিত্র প্রদর্শণ করা হয়।