কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক: ডেনমার্ক আওয়ামীলীগের উদ্যোগে কোপেনহেগেন এর একটি স্থানীয় রেস্তোরায় ৩ নভেম্বর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে জাতীয় জেল হত্যা দিবস পালিত হয়েছে। ডেনমার্ক আওয়ামীলীগের সভাপতি মোস্তফা মজুমদার বাচ্চুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাঈম উদ্দিন খাঁন, বোরহান উদ্দিন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইব্রাহিম তুহিন খাঁন, স্পোর্ট সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পলাশ এবং সম্মানিত সদস্য অলি হোসাইন রিপন।
অনুষ্ঠান কোরআন থেকে তেলোয়াতের মাধ্যমে শুরু করে জাতির পিতা ‘বঙ্গবন্ধু’ , বঙ্গমাতা, জাতীয় চারনেতা, ১৯৭৫এর ১৫ আগস্ট শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাসে কলঙ্কিত দিন জেলহত্যা দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের যে কয়টি দিন চিরকাল কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে, তার একটি ৩ নভেম্বর। বাঙালী জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করতে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে জাতীয় চার মহান নেতাদের, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম পরিচালক, মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ ঘনিষ্ঠ সহচর, বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এমন জঘন্য, নৃশংস ও বর্বরোচিত হত্যাকান্ড পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।
১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে জেল হত্যা মামলার প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবিত করে। আজ বাংলার জনগণ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে ঐক্যবন্ধভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মানের পথে এগিয়ে চলেছে। খুনী মোশতাক ও জিয়ার চক্রের দীর্ঘ ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষ দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অনেক আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পরাভূত করেছে।