প্রবাস মেলা ডেস্ক: আমেরিকার ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির (ডিএইচএস) প্রকল্পে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছন বাংলাদেশের গালিব রহমান। ডিএইচএসের সাবেক এ কর্মকর্তা ও আইটি উদ্যোক্তা কাজ করেছেন বিখ্যাত আইটি প্রতিষ্ঠান কেপজিমিনির সঙ্গে।
জানা যায়, ২০০৬ সালে গালিব রহমান উচ্চশিক্ষার জন্য আমেরিকায় পাড়ি জমায়। সেখানে কম্পিউটার সায়েন্সে সিটি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ২০১৭ সালে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রোগ্রাম উদ্যোক্তা হিসেবে ডিপ্লোমা করেন। বরিশাল শহরে বেড়ে ওঠা জনতা ব্যাংক কর্মকর্তা এস এম সিদ্দিকুর রহমানের বড় ছেলে গালিব। শিক্ষক মা মাহিনুর ইয়াসমিনের উৎসাহে আইটি ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের পথে হাঁটেন তিনি। আমেরিকার ওহাইওতে থাকাকালে অধ্যয়নের পাশাপাশি কিউ এনালিস্ট হিসেবে আইবিএমে প্রথম চাকরি শুরু করেন গাালিব। এরপর আইটি কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি নেন চেজ ব্যাংক, ক্যাপিটাল ওয়ান ও ডিজনি ওয়ার্ল্ডে।

২০১৭ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডিজিটাল সার্ভিস (ইউএসডিএস) প্রকল্পে আইটি কনসালটিং ডাইরেক্টর হিসেবে যোগ দেন গালিব। ওয়াশিংটন ডিসিতে রিজার্ভ ব্যাংক অব রিচমন্ডে আইটি কনসালটিং ডাইরেক্টর হিসেবে কাজ করেন।
ছয় বছর আগে গালিব রহমান ট্রান্সফোটেক নামে একটি আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলেন। তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে ছয়টি বিষয়ে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আইটি প্রশিক্ষণ দেওয়ার সুবিধার কথা উল্লেখ করেন তিনি, যাতে করে শিক্ষার্থীরা যুগোপযোগী আইটি বিশেষজ্ঞ হতে পারে। দেশের একাধিক আইসিটি কর্মকর্তার সঙ্গে এরই মধ্যে বৈঠক করেছেন তিনি।

এ ছাড়া লিড মাই ওয়ার্ল্ডের (এলএমডব্লিও) মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষা সহায়তা নিয়ে কাজ করছেন গালিব রহমান। পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ইতিমধ্যে সহায়তা চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। জর্জিয়ার স্টেট ইউনিভার্সিটি ভেলডুস্টার, চীনের সিসিওয়ান ইনস্টিটিউট অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলোজিসহ (এসআইআইটি) বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এ বিনিময় কর্মসূচি বিদ্যমান। বাংলাদেশ থেকে জর্জিয়ার স্টেট ইউনিভার্সিটি ভেলডুস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০ শিক্ষার্থী নেওয়ার অনুমোদন পেয়েছেন বলেও জানান গালিব।