প্রবাস মেলা ডেস্ক: ২৪ আগস্ট শনিবারে রাতে সিঙ্গাপুরের মোস্তফা হল রুমে ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ এবং ২১ আগস্ট ২০০৪ সালের গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে সিঙ্গাপুর ছাত্রলীগ। এতে সভাপতিত্ব করেন সিঙ্গাপুর ছাত্রলীগের সভাপতি সোহাগ মোহাম্মদ এবং যৌথভাবে পরিচালনা করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবেল সিকদার ও রোমান মোল্লা।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই সিঙ্গাপুর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জাতীর জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং অনুষ্ঠানের শুরুর পরে ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুর পরিবার ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত শহীদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিঙ্গাপুর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফরেজ খান। প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন জে পি তালাস, সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সিঙ্গাপুর শাখা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কে এইচ আলমিন, সভাপতি সিঙ্গাপুর আওয়ামী যুবলীগ, আন্তর্জাতিক বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন সিঙ্গাপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিরাজ উদ্দিন, জাতীয় শ্রমিক লীগ সিঙ্গাপুর শাখার আহ্বায়ক রেজাউল করিম।
অন্যান্যদের মধ্যে সিঙ্গাপুর শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আরিফ হোসাইন, বিজয় বিমল বর্মন, সোহানুজ্জাম মাসুম, আবু শাহীন সরদার, সজীব জয়, রোমান বেপারী, রফিকুল আলম সুমন, জাকির হোসেন জসি, জুয়েল, সুমন হাওলাদার। মোঃ ওয়াসিম, আল আমিন, রুবেল হাওলাদার শিমুল ঘোষ বক্তব্য রাখেন।
এছাড়াও সিঙ্গাপুর শাখার ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্রীরশিদুল ইসলাম, প্রাঙ্গন আহমেদ, নাজমুল হোসেন মোল্লা, আতিকুল হক রুবেল, মোঃ সাবলীন সজিব, মনির, নাজমুল মোল্লা, মোহাম্মদ মনি, ফারুক খান, রায়হান, শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
সভায় বক্তারা ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্টের শোককে শক্তিতে পরিণত করে এক সাথে কাজ করার আহবান জানান।
প্রধান আলোচক সিঙ্গাপুর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জে পি তালাস বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার চার দশক অতিবাহিত হয়ে গেল। শুধুমাত্র চারদশক কেন, অনন্তকাল ধরে ইতিহাসের এই বরপুত্রের মূল্যায়ন করবে সমগ্র জাতি। এই মহান নেতার শাহাদাত বার্ষিকীতে অন্তরের গভীর শ্রদ্ধায় তাঁকে স্মরণ করছি। আর তিনিসহ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের জন্য রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।
তিনি আরও বলেন “খণ্ডিত নয়, নয় কোন বিকৃত মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ” এই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জয় বাংলার প্রেরণায় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করার জন্য তরুণ প্রজন্মকে আহবান করেন।
অনুষ্ঠান শেষভাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়। রাতের ডিনার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।