মুহাম্মদ ইউসুফ খাঁন, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম: সীতাকুন্ড উপজেলার বাড়বকুন্ডের মমতাজ বেগম, পিতাঃ মিজানুর রহমান স্বামীর সাথে বনিবনা হচ্ছিল না কিছুদিন ধরে। এমতাবস্থায়, পেশাগত দায়িত্বের বাহিরে এসে সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে অ-সুখী দাম্পত্যযুগলকে নিয়ে সংসার টিকিয়ে রাখবার চেষ্টা করে যাচ্ছেন সীতাকুন্ড সার্কেল পুলিশের এডিশনাল এসপি শম্পা রানী সাহা।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, শম্পা রানী সাহা সীতাকুন্ডে এডিশনাল এসপি হিসেবে যোগদানের পর থেকে তার চেষ্টায় বহু সংসার ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। আলাপচারিতায় তিনি বলেন, বিশ্ব মানবতার মাতা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন পুলিশকে জনগণের দৌঁড়গড়ায় সেবা পৌঁছাতে হবে এবং আইজিপি মহোদয় বলেছেন হাসিমুখে জনসাধারনকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে হবে। সে নির্দেশ পালনে আমি এবং আমরা বদ্ধপরিকর। নারীর ক্ষমতায়ানে এবং নারী ও শিশু নির্যাতনরোধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেশ আন্তরিক। তিনি বাংলাদেশকে নারী উন্নয়নে এতদূর নিয়ে এসেছেন যা বিশ্বে বিরল। এশিয়ায় নারীর ক্ষমতায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রেষ্ঠত্বের দাবী রাখেন।
উল্লেখ্য যে, সীতাকুন্ড সার্কেল পুলিশ এডিশনাল এসপি শম্পা রানী শাহা ইতিপূর্বে ইতিমধ্যে প্রায় শতাধিক নারীকে সংসার বিমুখ থেকে সংসারমুখী করে ঐ পরিবারগুলোতে সুখ শান্তি ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন। আজকের ঘটনায় মমতাজ বেগমকে তিনি বলেন, যদি তোমার স্বামী তোমাকে ফিরিয়ে না নেয় সেক্ষেত্রে তোমাকে স্বাবলম্বী করে তুলতে যা যা করণীয় তা আমি নিজ থেকে ব্যবস্থা করে দিব। তিনি মহিলাটিকে অভয় দিয়ে বলেন, গরু ছাগলের খামার/ হাঁসমুরগীর খামার কিংবা মাছ চাষ যেটিতে তুমি স্বাবলম্বী অর্জনে চাইবে আমি সেটিই তোমাকে ব্যবস্থা করে দিব। পুলিশ যে জনগণের বন্ধু হতে পারে, সেবক হতে পারে শম্পা রানী সাহা তার প্রমাণ। বাংলাদেশের প্রতিটি থানায় শম্পা রানী সাহার মত পুলিশের বড় বেশী প্রয়োজন বলে মনে করেন মমতাজ বেগম।