মনির হোসেন, মালে, মালদ্বীপ প্রতিনিধি: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ, মেয়ে বেবি ও সুকান্ত। বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবনেতা ও সাংবাদিক, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন।
বাঙালি জাতির বেদনাদায়ক এই দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় মালদ্বীপে আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ২৩ আগস্ট ২০১৯ (শুক্রবার) স্থানীয় সময় রাত ১১ঘটিকায় মালদ্বীপের রাজধানী মালে একটি রেস্টুরেন্টে দোয়া ও আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত দোয়া ও মোনাজাত করা হয় ৷ এতে সভাপতিত্ব করেন মালদ্বীপ আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক সেলিম ফরাজী ও যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম আরজুর পরিচালনায় ৷ প্র
ধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপ আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি গাজী সাদেক হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ জালাল সিকদার, সিনিয়র সদস্য মোহাম্মদ সাদেক হোসেন, মালদ্বীপ আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন, রাসেল আহম্মেদ সাগর ৷
শোককে শক্তিতে পরিণত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে মালদ্বীপ আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়র সদস্য মোহাম্মদ, ইকবাল আহমেদ (সাগর) মোঃ নাসির উদ্দিন, সোহেল এবং মালদ্বীপ আওয়ামী যুবলীগ ও মালদ্বীপ আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন ৷