প্রবাস মেলা ডেস্ক: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ -কলকাতা থেকে প্রকাশিত শিল্পমান সম্পন্ন নন্দিত ম্যাগাজিন ‘সমান্তরাল ভাবনা’ এবার বেরুলো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সেরা কবি সাহিত্যিক নাট্যকার গল্পকারের সাহিত্যসম্ভারে সমৃদ্ধ হয়ে “বিশ্ব সাহিত্য সংখ্যা” হয়ে। হেলালগীতি’র কবি -নজমুল হেলাল এর কবিতা ছাপা হয়েছে এই বিশ্ব সাহিত্য সংখ্যায়।
এই এপ্রিল ১৯-অক্টোবর-১৯। Issn.2455-3700 সংখ্যায় যাঁদের সেরা লেখা স্থান পেয়েছেন তাঁরা হলেন, নাটকে: স্পেনের ইনমাকুলা পারদো কাবাইয়েরো, পেরুর এস্তেবান লিওন রাসোস, জাপানের রিনো তাকাবাতাকে, চীনের অ্যালিস ওয়াং, ইতালির পাওলা ফ্যাভিয়া এবং স্লোভাকিয়া’র সোসো জুরসার।

ছোট গল্প লিখেছেন: আর্জেন্টিনার চেন্তাল রোজেনগার্ড, ভারতের পার্থ আচার্য, অনিন্দ্য সান্যাল এবং অজিত রায়। গদ্য লিখেছেন: ডেনমার্কের অ্যানলুইস স্লট, ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা ও জনপ্রিয় বাংলা পত্রিকা “দৈনিক এই সময়” এর নিউজ এডিটর শোভন তরফদার।
কবিতা লিখেছেন: ভারতের নন্দ দুলাল আচার্য, কিউবার রাউল হার্নান্ডেজ,ভারতের রাহুল পুরকায়স্থ, বলিভিয়ার আলেজেন্দ্রা ভেরুস্কা, ভারতের নিবেদিতা আচার্য, মেক্সিকোর অ্যালিনা ভেলাস্কো রামোস, ভারতের বিপ্লব চৌধুরী, মেক্সিকোর মার্সেলা রোমান এবং রোজা মারিয়া, ব্রাজিলের ড্যানিয়েল দ্য রোচা, ভারতের সৈকত রক্ষিত, ইতালির মার্সেলা কোলাচি, বাংলাদেশ এর নজমুল হেলাল, ভারতের মিহির বন্দ্যোপাধ্যায়, পেরুর জুলিয়ো বার্কো, ভারতের অভিজ্ঞান সেন, অভিজিত মণ্ডল এবং কৃষ্ণেন্দু দাশ।
মনোমুগ্ধকর
প্রচ্ছদ করেছেন অর্পিতা আচার্য। তিনি
একজন নৃত্যশিল্পীও
বটে। আর ব্যাককভারের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার গল্পকার চেন্তাল রোজেনগার্ডের অঙ্কন। ফলে সঙ্কলনটি হয়ে উঠেছে আকর্ষণীয়।
সমান্তরাল ভাবনা’র সম্পাদক পার্থ
আচার্য একজন নাট্যকার, কথাসাহিত্যিক ও কবি। তিনি
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানের সাহিত্য সম্মেলনে ইতোপূর্বে অতিথি হিসেবে অংশ গ্রহণ করেছেন। এছাড়া তাঁর গল্প কবিতা বাংলাদেশের বিভিন্ন সংকলনে ছাপা হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বভাবকবি লোকজকবি চারণকবি খ্যাত নজমুল হেলালের জন্ম ২২ কার্তিক ১৩৬৬ মোতাবেক ৯ নভেম্বর ১৯৫৯ সালে। “সুমহান শব্দ”,”বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ,” “মুক্তিযোদ্ধা,” “বঙ্গলিপি’র জয়গান,” “বিদগ্ধ জননী আমার,” “আমার ঠিকানা,”ভালবাসলেই খোঁজ রাখতে হয়,” ‘জাতীয় কবি,” “রবীন্দ্র বন্দনা,” “সিলেট জেলা,” “শ্রমিক বন্দনা,” “অলৌকিক আইপিএস,” “ভালোরা ভালো নেই,”প্রভৃতি কবিতা কবি নজমুল হেলালের অনন্য সৃষ্টি।
কবি
নজমুল হেলাল ১৯৭৪ খৃষ্টাব্দ থেকে বাংলা সাহিত্যের নানা শাখায় অবিরাম তাঁর চর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন। ১৯৭৮ এবং১৯৮০ খৃস্টাব্দ থেকে যথাক্রমে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ
থেকে “অনুসন্ধান” ও কাবেরী সাহিত্য
পত্রিকায় তাঁর কবিতা প্রথম প্রকাশ পায়। তাঁর প্রথম প্রকাশিত একক গ্রন্থ ১৯৮৩ খৃস্টাব্দে ইন্টারন্যাশনাল বাংলা টিচিং, ১৯৮৫ খৃস্টাব্দে প্রকাশ পায় সমাজতত্ত্বমূলক হেলালগীতি গ্রন্থ। এই গ্রন্থের মধ্য দিয়েই সমাজ তাত্ত্বিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে গড়ে ওঠে তাঁর সমকালীন আরেক গর্বিত পরিচয়। নানা অসঙ্গতি অনিয়মের বিরুদ্ধে লিখে যাচ্ছেন আজীবন। ভালবাসা প্রেমের লোকজ নান্দনিক এবং বিশ্ব সমাজের নানাদিকের প্রকাশ এই হেলালগীতি’র
মধ্য দিয়েই মানুষের কাছে হয়ে ওঠেন জনপ্রিয় ও নন্দিত।
এই সমান্তরাল ভাবনা’র “বিশ্ব সাহিত্য সংখ্যা”য় বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি নজমুল হেলাল এর বিশ্বমানের শুধুমাত্র চারটি কবিতা প্রকাশ করা হয়েছে। কবি নজমুল হেলাল বিভিন্ন আঞ্চলিক, জাতীয়, আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলনে/উৎসবে অংশ গ্রহণ করেছেন এবং সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য দেশ বিদেশ থেকে বহু সংবর্ধনা সম্মাননা অর্জন করেছেন।