প্রবাস মেলা ডেস্ক: অস্বাভাবিক বিমান ভাড়া, মাইগ্রেশন খরচ বৃদ্ধি, করোনার প্রকোপ ও বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোতে নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের গতিপ্রবাহ কমেছে বলে অভিমত প্রবাসীদের। সরকার এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ না নিলে এর প্রভাব আরও ব্যাপক হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের পরে সংযুক্ত আরব আমিরাত ছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম রেমিটেন্স পাঠানো দেশ। নানা প্রতিকূলতায় সেই অবস্থান এখন চতুর্থ অবস্থানে। এর কারণ হিসেবে বিমানবন্দরে হয়রানি, অস্বাভাবিক বিমান ভাড়া, মাইগ্রেশন খরচ বৃদ্ধি এবং করোনার প্রকোপে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন প্রবাসীরা।
প্রবাসীরা জানান, অসাধু সিন্ডিকেটধারীরা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে টার্গেট করে যা ইচ্ছে তাই করে যাচ্ছে। ফলে আমিরাত যাওয়ার খরচ তুলতেই হিমশিম খেয়ে হচ্ছে। প্রবাসীরা বলছেন, দীর্ঘদিন এই অবস্থা চললেও সরকারের উদাসীনতা তাদের আরও বেশি আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে।
এক্সপো ২০২০ এবং পর্যটন মৌসুমকে ঘিরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একাধিক বাংলাদেশি ট্যুরিজম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এয়ারলাইন্সগুলোর ভাড়া নৈরাজ্যের কারণে ব্যবসায় সফল হতে পারবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা। বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।