রারজানা সুলতানা:
অনুরোধে তোমার বন্ধন গ্রহণে আমার,
গিয়েছি পড়ে কোন বাঁধনে ভালোবাসার।
কাকুতির আকুলতায় তুমি মনোহারিণী,
মিশিগানের ভরাদীঘি প্রতীক্ষিত তটিনী।
লেখনীর জাদুময় লেখনীতে আত্মহারা,
শ্রদ্ধা আর সম্মাননার করলে স্রোতহারা।
প্রবহমান নদীর নীরবতায় সবি ম্রিয়মাণ,
মৌনতার আড়ালে স্বপ্নের ফুলঝুরি ধীমান।
পাথরের গায়ে হাত মিলিয়ে যাব নীরালয়ে,
ভেবেছিনু দহনের আলোয় রব প্রজ্বালয়ে।
না হব ক্ষান্ত, না হব ক্লান্ত পথিকের বেশে,
আহাজারি নেই কো মোর নয়নের রেশে।
তোমারই কথন আদুরী দিয়ে যায় দোল,
দোলায় দুলতে চাহে লজ্জা রাঙা বোল।
হৃদয়ের হাহাকারে কাঁদে বিভীষিকাময়,
নিষ্পেষিত জীবনের অপূর্ণতায় মরুময়।
কেন এলে এমনি করে? ছিলেম তো বেশ,
ছিল না তো কোনো প্রাপ্তির হিসেবনিকেষ।
দিলে আলোকময় আকাঙ্ক্ষার হাতছানি,
হরিণীর তাড়ণায় মনোনয়নের মনোহারি।
তুমি কী রবে পাশে? জীবনের জয়গানে,
আমি বেঁধেছিনু ঘর পাহাড়ের যে আহ্বানে।
তপসীর তপস্যার ছায়াতলে মরমিয়া,
সেই সোনালি রোদেলা শিশিরের পিয়া।
তব প্রিয় তোমারি মিলনসুধায় হব নিঃসীম,
সাতকাহনে যাব হারিয়ে দুজনায় সীমাহীন।
বাসন্তীর আবিরে রাঙিয়েছি সারা অঙ্গে,
জড়িয়েছি তেপান্তরের দীর্ঘ রজনী তুঙ্গে।।