মো:আনোয়ারুল ইসলাম রনি: ২৮ জুলাই দক্ষিণ কোরিয়ার বিদেশী অধ্যুষিত শহর আনসানে গোপালগঞ্জ এসোসিয়েশন অফ সাউথ কোরিয়ার আয়োজনে এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেমের (ইপিএস) মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মী বাড়ানোর কার্যকরী উপায় নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মকিমা বেগম।
প্রধান অতিথি রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম বলেন, আজকের আলোচনায় উঠে আসা সমস্যাগুলো যদি আমরা পরিহার করতে না পারি, শোধরাতে না পারি তবে ইপিএসের আওতাভুক্ত অন্য ১৫টা দেশের সঙ্গে আমরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বো। কোরিয়ান কোম্পানি কিন্তু খালি থাকবে না, অন্য দেশের কর্মী এসে সেখানে ভরে যাবে। সেই সাথে ইপিএসে আসা কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, অতিরিক্ত প্রত্যাশা না করে যে কোম্পানিতে প্রথম এসেছেন সেটাতে যদি পুরো সময় থাকেন তাতেই বেশি লাভবান হবেন। দীর্ঘ সময় কোরিয়া থাকতে পারবেন এবং বাংলাদেশের রেমিটেন্স বাড়বে। সেই সাথে বাংলাদেশি সব ইপিএস কর্মীকে তাদের কোম্পানির মালিকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার পরামর্শ দেন ।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শেখ মুরাদ হোসেন বলেন, অন্যান্য দেশের কর্মীদের চেয়ে আমাদের কর্মীদের আরো বেশি দক্ষতা, দায়িত্ববোধ প্রকাশ করতে হবে। তবেই না বাংলাদেশি কর্মীরা বেশি সুযোগ পাবে। প্রতি বছর বাংলাদেশের আরো অনেকগুলো পরিবার স্বচ্ছল হবে তথা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।
সেমিনারে কোরিয়ায় বসবাসরত বিভিন্ন পেশার প্রবাসীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল।