প্রবাস মেলা ডেস্ক: বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমন্বয়ে গঠিত অরাজনৈতিক সংগঠন ‘কানেক্ট বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল’ (সি.বি.আই) এর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, শুক্রবার বিকেল ৩.৩০ মিনিটে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের শহীদ সালাম লাউঞ্জে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য কমিটির আহ্বাবায়ক ও যুক্তরাজ্য কমিটির সদস্য সচিব প্রবাসী আবু আহমেদ খিজির, সদস্য সচিব যুক্তরাজ্য প্রবাসী ডা. মাহমুদুর রহমান মান্না, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী সৈয়দ মাহবুব, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইতালি প্রবাসী নুরুল আমীন, সদস্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী এস.এস. নাসিম চৌধুরী, সদস্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী মীর রাশেদ আহমেদ, সদস্য যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মো: বিল্লাহ্ এবং বাংলাদেশ কোর্ডিনেটর সদরুল হারুন। এছাড়া বিভিন্ন দেশের কয়েকজন প্রবাসী এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন, কানেক্ট বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল (সি.বি.আই) এর সেন্ট্রাল কার্যকরী কমিটির একজন অস্থায়ী সদস্য এস. এস. নাসিম চৌধুরী। তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য হলো বিদেশে অবস্থানরত/বসবাসকারী বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মদেরকে, তথা (New Generation) বাংলাদেশকে তাদের মাতৃভূমি হিসেবে সর্বদা মনে, প্রাণে, ধ্যানে ধারনায়, চিন্তা, চেতনায় ধারণ করে বাংলাদেশের প্রতি দেশপ্রেম, আনুগত্য, ভক্তি, শ্রদ্ধা জন্মানোর মাধ্যমে দেশের প্রতি তাদের মনে একাত্মতার অনুভূতি (Sense of belonging) জাগিয়ে তোলা এবং সেই অনুভূতি জাগ্রত রাখা। একই সাথে বিদেশে অবস্থানরত এই প্রজন্মদের পূর্বসূরীদের দেশ গঠনে যে অনস্বীকার্য অবদান রেখে গিয়েছিলেন, তা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে দেশের সরকার, তথা আপামর জনগণদের বর্তমানে তাদের প্রতি দায়িত্ব, কর্তব্য কি তা স্মরণ করিয়ে সরকারকে কার্যকরী, গঠনমূলক, প্রস্তাব ও প্রস্তাবনা দেওয়া এবং তা বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে বাংলাদেশি জনগোষ্ঠী এবং বিদেশে অবস্থানরত এবং বংশোদ্ভূত প্রজন্মদের মধ্যে একটি চিরস্থায়ী অটুট বন্ধন সৃষ্টি করা।

তিনি আরও বলেন, বিদেশে অবস্থানরত ১ কোটি উর্ধ্ব শ্রমিক যারা প্রতিনিয়তই তাদের উপার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিকে সদা সচল ও বেগবান করে আসছে তাদের ন্যায্য দাবী দাওয়া, সুযোগ সুবিধা, সেবাপ্রদান, তাদের দুর্যোগকালীন সময়ে মোকাবেলা করতে সরকারকে সর্বদা গঠনমূলক পরামর্শ দেওয়া সহ যথোপযুক্ত পরিকল্পানা পেশ করা এবং তা বাস্তবায়ন করার জন্য সহায়তা করা অতীব জরুরী।
এরপর সংগঠনের আদর্শ, উদ্দেশ্য বিষয়ে লিখিত বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সদস্য সচিব যুক্তরাজ্য প্রবাসী ডা. মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিভিন্ন উন্নত দেশে বসবাস করার মাধ্যমে উন্নত সামাজিক ব্যবস্থা, উন্নত অর্থনীতি, উন্নত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে জানার ও অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন। নিঃসন্দেহে উন্নত বিশ্বের শিক্ষায় শিক্ষিত এবং কাজের অভিজ্ঞ এই সকল প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের উন্নত ধ্যান-ধারনা, শিক্ষা ও অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে গুণগত পরিবর্তন আনতে সক্ষম। কানেক্ট বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশাল (সি.বি.আই) প্রবাসী বাংলাদেশের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার এই অগাধ শক্তির সদ্ব্যব্যবহার করে সমাজের গুণগত পরিবর্তন সাধনের মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সাথে সাথে শান্তি ও সৌহার্দ্যময় বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য আন্তরিকভাবে বদ্ধপরিকর।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রায় এক কোটি ষাট লক্ষের অধিক বাংলাদেশের নাগরিক প্রবাসে বসবাস করছেন। এই সংখ্যা দিনে দিনে আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশি নাগরিকরা প্রবাসী হয়েছে বিবিধ কারণে। অনেকে প্রবাসী হয়েছেন উচ্চশিক্ষা, উন্নত পেশা, উন্নত জীবযাপন এবং সুখী জীবনযাত্রার জন্য। অনেকে প্রবাসী হয়েছেন জীবন ও জীবিকার তাগিদে। প্রবাসীরা জন্মগতভাবে বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে প্রেরণ করেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের এই রেমিটেন্সগুলি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। যেহেতু প্রবাসী বাংলাদেশিরা অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন সুতরাং নাগরিক বা দ্বৈত নাগরিক হিসাবে সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের পূর্ণ নাগরিক অধিকার রয়েছে। কিন্তু প্রকৃত অর্থে প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের ন্যায্য নাগরিক অধিকার পাচ্ছে না। প্রবাসী বাংলাদেশিদের ন্যায্য অধিকার অর্জন এবং ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে কানেক্ট বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল (সি.বি.আই) দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারাবদ্ধ।।

একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে মি. মান্না আরও বলেন, আমরা যৌথ বা সম্মিলিত নেতৃত্বের চর্চা করে কানেক্ট বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল (সি.বি.আই) এর মাধ্যমে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য বদ্ধপরিকর। তাই আমরা দেশে ও প্রবাসে বাংলাদেশি নাগরিকগণ এবং বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে সাথে নিয়ে একযোগে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও প্রবাসীদের নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন করার জন্য কানেক্ট বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল (সি.বি.আই) ২০১৬ সালের ২৯ ও ৩০ এপ্রিল প্যারিস সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শিকড় সন্ধানে ও বাংলাদেশমুখী বিশাল এই জনগোষ্ঠীর সাথে সংযোগ সাধনে ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকা একান্ত প্রয়োজন। আমরা যাতে সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি এবং দেশে ও প্রবাসে বাংলাদেশি নাগরিকগণ নিজস্ব সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করতে পারে, সেজন্য আমরা ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছি। বিশ্বের সব দেশের তথা মানবজাতির প্রগতিশীল আশা আকাঙ্খার সাথে সঙ্গতি রক্ষা করে যাতে আন্তর্জাতিক শান্তি ও বিশ্ব অর্থনীতিতে সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারি, সেজন্য কানেক্ট বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল (সি.বি.আই) এর গণতন্ত্রের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যসহ ধারা ও উপধারাগুলির প্রাধান্য অক্ষুন্ন রেখে এবং এর রক্ষণ, সমর্থন ও মান্য করা পবিত্র কর্তব্য বলে আমরা মনে করি । এতদ্বারা, কানেক্ট বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল (সি.বি.আই) এর রোম সম্মেলনের শনিবার ১২ই কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ২৪ শে অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দে, আমরা গঠনতন্ত্রের রচনা ও বিধিবদ্ধ করে এবং খোলামনে উন্মুক্ত আলোচনা করে ঐক্যমতের ভিত্তিতে সর্বসম্মতভাবে ও সমবেতভাবে তা গ্রহণ করি।
একপর্যায়ে নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ সরকারের কাছে কানেক্ট বাংলাদেশ ইউকের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের জন্য ১৩ দফা দাবি পেশ করেন। লিখিত এ দাবীনামা পড়ে শোনান সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী মীর রাশেদ আহমেদ। দাবীগুলো হলো:
১. প্রবাসে বসবাসরত সকল প্রবাসী ও তাদের সন্তানদের বা পরিবারের সদস্যদের নিজ নিজ দেশে বাংলাদেশের দূতাবাস কর্তৃক জাতীয় পরিচয় পত্র বা স্মার্ট কার্ড প্রদান করার ব্যবস্থা (দ্বৈত নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে স্মার্ট কার্ড নিজ দেশে পাসপোর্ট হিসেবে গণ্য হবে) করতে হবে। বিশেষ করে দ্বৈত নাগরিকগণের বাংলাদেশি নাগরিকের মতো সকল ক্ষেত্রে সমান অধিকার ভোগ করার সুযোগ দিতে হবে। যেমন: সম্পত্তির অধিকার, স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার, চাকুরীর ক্ষেত্রে দক্ষতার ভিত্তিতে সুযোগ দেয়া সহ বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করে প্রয়োজনীয় আইন ও নিয়মনীতি অচিরেই প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন করা হউক।
২. প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য (স্ব স্ব দেশ দূতাবাসের মাধ্যমে, পোস্ট এবং অনলাইনের মাধ্যমে) প্রয়োজনীয় আইন এবং নিয়মাবলী অচিরেই প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন করা হউক।
৩. বাংলাদেশ প্রবাসীদের সকল নাগরিক অধিকারসহ পরিবারের সদস্যদের জানমালের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন করা হউক।
৪. প্রবাসে আহত, নিহত, অসুস্থ বা স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণকারী কর্মী বা রেমিটেন্স প্রেরণকারীর পরিবারের জন্য আর্থিক প্রণোদনা, বিধবা ভাতা, শিক্ষা ভাতা ও চিকিৎসা ভাতা বিশেষ করে প্রবাসে চুক্তিভিত্তিক কর্মী প্রেরণ পূর্বে সরকারীভাবে বীমার ব্যবস্থা ইত্যাদি প্রদানসহ স্বাবলম্বী করে দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও নিয়মনীতি অচিরেই প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
৫. প্রবাসীরা যেন বাংলাদেশের উন্নয়নে অংশগ্রহণ করতে পারে তার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ সৃষ্টি ও নিরাপত্তা গড়ে তোলা এবং এটি বাস্তবায়নের জন্য প্রতিটি উপজেলাবাসীদের জন্য আলাদা শিল্পপরিষদ গড়ে তোলা, যাতে প্রবাসীরা দেশের উন্নতির জন্য তাদের দক্ষতা এবং শিল্প কারখানা গড়ে উঠতে পারে এবং তাদের আর্থিক নিরাপত্তা বিধানে প্রয়োজনীয় আইন ও নিয়ামাবলী অচিরেই প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন করা হউক।
৬. বাংলাদেশ সার্বিক উন্নয়নে প্রবাসীদের শিক্ষা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, কারিগরি জ্ঞান এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতার কাজে লাগানো, নিরপেক্ষ বোর্ড গঠনের জন্য পরামর্শ প্রদান, লাল ফিতা সিস্টেম সহজীকরণ এবং আর্থিক বিনিয়োগের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বিপণন ক্ষেত্রে পুজির নিরাপত্তা এবং দীর্ঘসূত্র বা দীর্ঘ সময় সীমার প্রবণতা তিরোহিত করে নিয়মনীতি অচিরেই প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
৭. বিদেশে কার্যরত শ্রমিকদের উপর সব ধরনের নির্যাতন ও নিপীড়ন বন্ধ করা এবং পৃথিবীর সব দেশে বাংলাদেশি কার্যরত শ্রমিকদের মৌলিক ও মানবিক অধিকারসমূহ সমুন্নত ও সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস এর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৮. যেহেতু দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে সবচেয়ে কর্মক্ষম ও স্বাবলম্বী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের মোট ভোটারের প্রায় ১০ ভাগের ১ ভাগ ভোটার ও মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৬ ভাগের ১ ভাগ তথাপিও তাদের বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে কোনো রকম প্রতিনিধিত্ব নাই; সেহেতু জাতীয় সংসদে আনুপাতিক হারে সাংসদ মনোনীত করে প্রবাসীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও নিয়মনীতি অচিরেই প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন করা হউক এবং
৯. যুক্তরাজ্যের সাত লাখেরও বেশি বাংলাদেশি বসবাসরত আছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৭০% এর বেশি বৃহত্তর সিলেট থেকে আগত, তাদের অধিকাংশই বিমান এয়ারলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশ যাতায়াত করে। সিলেট থেকে লন্ডনে বিমানের সরাসরি নন স্টপ ফ্লাইট না থাকার কারণে যুক্তরাজ্য প্রবাসীগণ অসহনীয় কষ্ট ভোগ করছেন। বাংলাদেশ সরকারের কাছে অবিলম্বে সিলেট লন্ডন ফ্লাইট অতিসত্বর সরাসরি নন স্টপ ফ্লাইট চালু করার দাবি জানানো হচ্ছে। (বাস্তবায়িত)
১০. বিদেশে কারাগারে আটককৃত বাংলাদেশি কার্যরত শ্রমিকদের সরকারী উদ্দ্যোগে এবং খরচে দেশে ফেরত আনতে হবে।
১১. রেমিটেন্স যোদ্ধাদের বৃদ্ধভাতা প্রদান করা চালু করতে হবে।
১২. বিদেশে মহিলা শ্রমিক প্রেরণের পূর্বে তাদের যথাযথ নিরাপত্তা ও সংম্ভ্রম রক্ষাতে শ্রমিকনীতি প্রণয়ণ করতে হবে।
১৩. বিদেশে কার্যরত মহিলা শ্রমিক যাহারা নির্যাতিত ও নিপীড়িত প্রয়োজনবোধে তাদেরকে সরকারী খরচে দেশে ফেরত আনার ব্যবস্থা করতে হবে।
শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সংগঠনের আহ্বায়ক যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবু আহমেদ খিজির, কেন্দ্রীয় সদস্য যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মো: বিল্লাহ্, কেন্দ্রীয় সদস্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী এস. এস. নাসিম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সদস্য ইতালি প্রবাসী মো: নুরুল আমীন।