রাশেদ কাদের, আম্মান, জর্ডান প্রতিনিধি: মুজিববর্ষ উপলক্ষে জর্ডানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত ক্রিকেট ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জনাব মো: জাহিদ আহসান রাসেলএমপি তার ভাষণে বলেন ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে সর্বদা সোচ্চার ছিলেন। জর্ডানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস আকাবা শহরে ১৬ নভেম্বর, ২০২১ ‘বঙ্গবন্ধু কাপ ক্রিকেট ম্যাচ-২০২১’ আয়োজন করে। সিডনী এপারেলস এবং এআরকে গার্মেন্টসের মধ্যে আকাবা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জর্ডানে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী স্টেডিয়ামের গ্যালারীতে উপস্থিত থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট ম্যাচটি উপভোগ করেন এবং খেলা শেষে বঙ্গবন্ধু ক্রিকেট কাপসহ পুরষ্কার বিতরণ করেন।
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তার সমাপনী বক্তব্যে মুজিববর্ষ উপলক্ষে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বিদেশের মাটিতে এ ম্যাচ আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাস এবং অংশগ্রহণকারী সিডনী এপারেলস এবং এআরকে গার্মেন্টসকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা থেকে আগত গার্মেন্টস কর্মীদের সমন্বয়ে এ ম্যাচ আয়োজনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং কাজের পাশাপাশি খেলাধুলার চর্চা অব্যাহত রাখার জন্য খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের প্রশংসা করেন।

তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বদা শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিলেন এবং তিনি একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন। তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশ থেকে তাদের কষ্টার্জিত রেমিটেন্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে। এজন্য তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের ধন্যবাদ জানান। তিনি মুজিববর্ষ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কর্ম, জীবনী, সাফল্য এবং আমাদের মহান স্বাধীনতার ইতিহাস বিদেশের মাটিতে ছড়িয়ে দেয়ার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানান।

খেলা শেষে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সকল খেলোয়াড়কে মেডেল প্রদান করেন এবং বিজয়ী দলের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন।